প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কী কথা হলো ববিতার?
ছবি: সংগৃহীত
০৩:৫০ পিএম | ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় অভিনয়ের বাইরে রয়েছেন বরেণ্য অভিনেত্রী ফরিদা আক্তার ববিতা। তাই চলচ্চিত্র-সংশ্লিষ্ট আড্ডা কিংবা আনুষ্ঠানিকতায় খুব একটা দেখা যায় না তাকে।
বৃহস্পতিবার ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে একুশে পদক গ্রহণ করতে উপস্থিত হয়েছিলেন তিনি। এদিন প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সম্মাননা গ্রহণের সময় সামান্য কথোপকথন হয় তারেক রহমান-এর সঙ্গে।
মুহূর্তটিকে ‘চমৎকার’ বলেই অভিহিত করেছেন ববিতা।
সরকার চলতি মাসের শুরুতে একুশে পদকপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করে। পরে গতকাল আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের হাতে পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।
পুরস্কার গ্রহণের পর গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে ববিতা জানান, প্রধানমন্ত্রী তাকে প্রথমেই জিজ্ঞেস করেন- ‘কেমন আছেন?’ উত্তরে তিনি বলেন, ভালো আছেন।
এরপর তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, তার হাত থেকে এই পুরস্কার গ্রহণ করতে পেরে তিনি গর্বিত। একইসঙ্গে তাকে বলেন, ‘আমার খুব ভালো লাগছে, আপনার কাছ থেকে পুরস্কার নিচ্ছি। এর আগে আপনার বাবার হাত থেকেও পুরস্কার নিয়েছি।’

অনুষ্ঠান শেষে ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সঙ্গে হাসিমুখে ছবি তুলতেও দেখা যায় তাকে।
অনেক দিন পর এত মানুষের সঙ্গে ছবি তুলতে গিয়ে ক্লান্ত হলেও মুহূর্তটি তার কাছে ছিল ভীষণ আনন্দের।
এবারের একুশে পদক তিনি উৎসর্গ করেছেন প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান-কে। ববিতার ভাষ্য, মাত্র ১৩ বছর বয়সে চলচ্চিত্রে তার পথচলা শুরু হয়েছিল জহির রায়হানের হাত ধরেই। অর্থ বা খ্যাতি নয়- শিল্পের প্রতি ভালোবাসাই ছিল তাদের প্রধান প্রেরণা।
তিনি বলেন, ‘চলচ্চিত্রজগতে এসেছি ১৩ বছর বয়সে।
জহির রায়হান আমাকে নিয়ে এসেছেন। তখন আমাদের মধ্যে টাকাপয়সা প্রধান বিবেচ্য বিষয় ছিল না। প্রধান লক্ষ্য ছিল, মনোযোগ দিয়ে কাজ করতে হবে, ওপরে উঠতে হবে, শিল্পের ক্ষুধা ছিল- এগুলো করতে পেরেছি বলেই তো দর্শক আমাকে সম্মান করেছে, নিঃস্বার্থ ভালোবাসা দিয়েছে। তাদের ভালোবাসা পেয়ে একজন ববিতা হয়েছি। সেসবের কারণেও এই পুরস্কার। শ্রদ্ধেয় জহির রায়হান সাহেব আমাকে চলচ্চিত্রের জগতে এনেছেন, তিনি না আনলে আমি এত দূর আসতে পারতাম না। তাই আমার একুশে পদক জহির রায়হানকে উৎসর্গ করছি।’
এসকে/টিকে