© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

রঞ্জন ঘোষের ‘অদম্য’কে ‘মাস্ট ওয়াচ’ বললেন প্রসেনজিৎ

শেয়ার করুন:
রঞ্জন ঘোষের ‘অদম্য’কে ‘মাস্ট ওয়াচ’ বললেন প্রসেনজিৎ

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১১:৩২ এএম | ০১ মার্চ, ২০২৬
শ্রেণিবিভাজনের চেনা পর্দা সরিয়ে অন্য এক সমাজকে সামনে এনে দিয়েছে পরিচালক রঞ্জন ঘোষ এর ছবি অদম্য। শহুরে বৃত্তের বাইরে, কলকাতা থেকে দূরে বেড়ে ওঠা মানুষের জীবনসংগ্রামকে নীরব অথচ তীব্র ভাষায় তুলে ধরা এই ছবিকে এবার ‘অবশ্যই দেখার মতো’ বলে প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন টলিউডের জ্যেষ্ঠপুত্র প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়।

ছবিটি বড়পর্দায় দেখার পর হল থেকে বেরিয়েই উচ্ছ্বাস লুকোতে পারেননি তিনি। সংবাদমাধ্যমের সামনে স্পষ্ট ভাষায় বলেন, এই ছবি অন্তত একবার বড়পর্দায় দেখা উচিত। তাঁর কথায়, ছবিটি অন্যভাবে সমাজকে দেখার চোখ খুলে দেয়। সূক্ষ্মতায় ভরা দৃশ্য নির্মাণ, শৈল্পিক মিতব্যয়িতা এবং বাস্তবের কাছাকাছি থাকা বয়ান তাঁকে মুগ্ধ করেছে।



দীর্ঘদিন ধরেই বাংলা ছবিতে মধ্যবিত্ত বা তথাকথিত বুদ্ধিজীবী সমাজের গল্পই বেশি উঠে এসেছে। সেই চেনা ছকের বাইরে বেরিয়ে ‘অদম্য’ যেন দমকা হাওয়া। শহুরে দর্শককে এক অচেনা পরিসরে নিয়ে যায় এই ছবি। সেখানে একলা হেঁটে চলা এক যুবক, যার নাম পলাশ। সেই চরিত্রে অভিনয় করেছেন আরিয়ুন ঘোষ। গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে তার একাকী যাপন, ন্যূনতম উপকরণে প্রতিদিনের বেঁচে থাকার লড়াই এই নিয়েই আবর্তিত হয়েছে ছবির কাহিনি।

রঞ্জন ঘোষের পরিচালনায় ছবিটি সমাজের ভিন্ন স্তরের মানুষের জীবনকে নতুন দৃষ্টিতে দেখার আহ্বান জানায়। নান্দনিক পর্দা সরিয়ে বাস্তবের মাটি ছুঁয়ে থাকা এক জগৎকে সামনে আনে। দর্শক যেন ধীরে ধীরে প্রবেশ করেন সেই অচেনা জীবনে, যেখানে লড়াই আছে, নির্জনতা আছে, তবু আছে অবিচল মানসিক শক্তি।

প্রসেনজিতের মতো শিল্পীর প্রশংসা পেয়ে আপ্লুত পরিচালকও। তাঁর কথায়, এমন স্বীকৃতি তাঁর কাছে পরম প্রাপ্তি। বাংলা ছবির ভিড়ে ‘অদম্য’ যে আলাদা করে নজর কাড়ছে, তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে এই প্রশংসাতেই।

সব মিলিয়ে বলা যায়, চলতি মাসে মুক্তিপ্রাপ্ত এই ছবি শুধু আরেকটি মুক্তি নয়, বরং বাংলা ছবির পরিসরে এক ভিন্ন সুরের সংযোজন।

পিআর/টিকে

মন্তব্য করুন