মানবতাবিরোধী অপরাধে কামরুল-মেননের বিচার শুরুর আবেদন
ছবি: সংগৃহীত
০৩:৪৯ পিএম | ০২ মার্চ, ২০২৬
চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কামরুল ইসলাম ও ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি শেষ করেছে প্রসিকিউশন।
সোমবার (২ মার্চ) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ শুনানি হয়। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। শুনানিতে কামরুল ইসলাম ও রাশেদ খান মেননের বিরুদ্ধে আনা তিনটি অভিযোগ তুলে ধরেন তিনি।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, শেখ হাসিনার সরকারকে টিকিয়ে রাখার উদ্দেশ্যে নানান উসকানি দেন কামরুল ও মেনন। তারা আওয়ামী লীগ সরকার ও ১৪ দলীয় জোটের শীর্ষ পদে থেকে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার ওপর মারণাস্ত্র ব্যবহার এবং কারফিউ জারির প্ররোচনা দেন। তাদের ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রে রাজধানীর বাড্ডাসহ বিভিন্ন এলাকায় আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানো হয়। শুনানি শেষে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ চেয়ে আবেদন করেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, মঈনুল করিম, আবদুস সাত্তার পালোয়ানসহ অন্যরা।
এদিকে, আসামিদের অব্যাহতির আবেদন শুনানির জন্য সময় চান আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী। পরে আগামী ১১ মার্চ শুনানির দিন ধার্য করেন আদালত।
এদিন সকালে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে কামরুল ও মেননকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। গত ৩ ফেব্রুয়ারি ২৩ জনকে হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের দেওয়া আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল-১।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২২ আগস্ট মেননকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। একই বছরের ১৮ নভেম্বর রাজধানীর উত্তরা থেকে গ্রেপ্তার হন কামরুল। এরপর থেকেই বিভিন্ন মামলায় কারাগারে রয়েছেন তারা।
আইআর/টিএ