বগুড়ায় মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় বিএনপির দুই পক্ষের মারামারি
ছবি: সংগৃহীত
০৯:২২ পিএম | ০২ মার্চ, ২০২৬
বগুড়া-৬ (সদর) আসনে উপ-নির্বাচনের জন্য বিএনপির প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় জেলার দুই শীর্ষস্থানীয় নেতার সমর্থকদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার (২ মার্চ) বিকেল ৩টায় বগুড়ার সিনিয়র নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ের কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশার কাছাকাছি দাঁড়ানোকে কেন্দ্র করে এ দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। দুই সিনিয়র নেতার এমন ঘটনায় দলটির নেতাকর্মীরা হতবাক হন। তবে খবরটি শহরে ছড়িয়ে পড়লে অনেকের কাছে তা হাস্যরসের বিষয়েও পরিণত হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, আজ দুপুরে বগুড়া সদর আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা নিজের মনোনয়নপত্র জমা দিতে নির্বাচন অফিসে যান। এ সময় তার সঙ্গে জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। নির্বাচন অফিসের ভেতরে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় পাশাপাশি দাঁড়ানোকে কেন্দ্র করে জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলী আজগর তালুকদার হেনা এবং জেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ তাহা উদ্দিন নাহিনের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তারা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। পরে অন্য নেতাকর্মীরা তাদের নিবৃত্ত করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আলী আজগর তালুকদার হেনা বলেন, এখনকার নেতাকর্মীরা বিষয়টি বোঝেন না কাউকে চেনেন না, মানতেও চান না। নির্বাচন অফিসের ভেতরে আমি সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলাম। সেখানে ভিড় ও ঠেলাঠেলি শুরু হয়। বিষয়টি নিয়েই তিনি আমার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। তিনি কি আমাকে চেনেন না, যাই হোক, আমরা যেহেতু সিনিয়র, আমাদেরই অনেক কিছু মেনে নিতে হবে।
এ ঘটনার বিষয়ে শেখ তাহা উদ্দিন নাহিনের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ দিলেও তিনি সাড়া দেননি।
এ বিষয়ে বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি ও উপনির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা বলেন, এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় পাশে দাঁড়ানোকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে। পরে বিষয়টির সমাধান হয়েছে।
ইউটি/টিএ