© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

গুলশান থানায় বৈষম্যবিরোধী নেতা রিয়াদের ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

শেয়ার করুন:
গুলশান থানায় বৈষম্যবিরোধী নেতা রিয়াদের ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৩:২৩ পিএম | ০৫ মার্চ, ২০২৬
রাজধানীর গুলশান থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতা ও প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী আব্দুর রাজ্জাক বিন সোলাইমান রিয়াদের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। তবে অপর তিন আসামির রিমান্ড ও জামিন উভয় নামঞ্জুর করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

অন্য আসামিরা হলেন- প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী মো. রিয়াদুল হাওলাদার, মো. আলিফ আহম্মেদ আশিক ও সায়েম শিকদার।

এদিন আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। এসময় রিয়াদের পক্ষে আইনজীবী জাকির হোসাইন এবং অন্য তিন আসামির পক্ষে সাখাওয়াত হোসেন রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত রিয়াদের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এ ছাড়া অপর তিন আসামির রিমান্ড ও জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন ২৭ ফেব্রুয়ারি গ্রেপ্তারের পর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিলরুবা আফরোজ তিথির আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। গত ১ মার্চ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও গুলশান থানার উপপরিদর্শক আরমান আলী আসামিদের পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।

এই বিষয়ে শুনানির জন্য ৫ মার্চ দিন ধার্য করেন আদালত।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিদের সঙ্গে ভুক্তভোগী নির্জন ও তার বন্ধুদের পূর্ব শত্রুতা ছিল।

গত বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির চতুর্থ তলায় ৪১২ নং রুমে সাক্ষাৎ হলে আসামিরা তাকে তাদের স্থায়ী ক্যাম্পাস এবং কনভোকেশন অংশগ্রহণের জন্য বলেন। এ বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মো. আনিসুর রহমানের সঙ্গে পরামর্শ করার সময়ে আসমি রাজ্জাকের হুকুমে আসামি রিয়াদুল ও সায়েম চেয়ার দিয়ে তাকে আঘাত করেন। এতে তিনি পিঠে ও বুকে আঘাত পান।

আসামি রাজ্জাক সুইচ গিয়ার চাকু দিয়ে তাকে হত্যার উদ্দেশে মুখমণ্ডলে আঘাত করে। এতে তার নাকে লেগে নাকের উপরিভাগ কেটে গুরুতর জখম হয়। এসময় তাকে এলোপাতাড়ি মারপিট করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা ফুলা জখম করে। তখন তার বন্ধুবান্ধব ও প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি শিক্ষকরা এগিয়ে আসলে আসামিরা তাকে বিভিন্ন রকমের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করেন। পরে গুলশান থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাদের আটক করে নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী নির্জন সরদার বাঁধন বাদী হয়ে রাজ্জাকসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। এতে অজ্ঞাতনামা ১০/২২ জনকে আসামি করা হয়।

এসকে/টিকে

মন্তব্য করুন