মান্দায় চোর সন্দেহে যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
ছবি: সংগৃহীত
০৩:৪২ পিএম | ০৫ মার্চ, ২০২৬
নওগাঁর মান্দায় চোর সন্দেহে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে কওমি মাদরাসার কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে। বুধবার (৪ মার্চ) রাত ৩টার দিকে উপজেলার প্রসাদপুর দারুল উলুম ইসলামিয়া কওমি মাদরাসা চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। নিহত যুবকের নাম রফিকুল ইসলাম (২৫)। তিনি মান্দা সদর ইউনিয়নের জিনারপুর গ্রামের মৃত জেহের আলীর ছেলে।
আজ বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মাদরাসার ক্বারি শিক্ষক সাব্বির হোসেন বলেন, ‘রাত সোয়া ২টার দিকে ছাত্র পারভেজকে নিয়ে সাহরি রান্নার জন্য রান্নার ঘরের দিকে যাই। এ সময় রান্নাঘর থেকে অচেনা এক যুবক বের হয়ে আসছিলেন। সন্দেহ হওয়ায় জিজ্ঞাসাবাদ করা কালে তিনি পালানোর চেষ্টা করেন।
তিনি আরো বলেন, ‘এ সময় ধাওয়া দিয়ে তাকে আটক করে গাছের ডাল দিয়ে মারধর করা হয়। হইচই শুনে শিক্ষক আরিফুল ইসলাম, শিক্ষক তুহিন হোসেন, শিক্ষক ওমর ফারুক ও শিক্ষক মোর্শেদ আলম এসে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এক পর্যায়ে রফিকুল ইসলাম সেখানেই মারা যান।’
মাদরাসার পাশের বাসিন্দা আসলাম হোসেন বলেন, ‘মাদরাসার ভেতরের মসজিদে আমি ফজরের নামাজ আদায় করেছি। অথচ ভেতরে একজনকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে এ বিষয়ে কিছুই জানতে পারিনি।’
মাদরাসার মুহতামিম মাসুদুর রহমান বলেন, ‘সংবাদ পেয়ে ভোর সাড়ে ৪টার দিকে আমি মাদরাসায় গিয়ে এক যুবককে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখি। এর কিছু পরেই তিনি মারা যান।’
মান্দা থানার ওসি কে এম মাসুদ রানা বলেন, ‘সংবাদ পেয়ে মাদরাসা চত্বর থেকে হাত বাঁধা অবস্থায় রফিকুল ইসলামের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্তসহ মামলা করার প্রস্তুতি চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি।’
এসএস/টিকে