গোবিন্দের পরামর্শেই কী বদলে যান সালমান?
ছবি: সংগৃহীত
০৪:১৭ পিএম | ০৫ মার্চ, ২০২৬
বলিউডের ঝলমলে পর্দার আড়ালেও কখনও কখনও থাকে অনিশ্চয়তা আর বদলে যাওয়ার গল্প। একসময় চেহারা আর চুল নিয়ে অস্বস্তিতে ভুগছিলেন সালমান খান। পর্দায় স্পষ্ট হচ্ছিল তার মাথার চুল পাতলা হয়ে যাচ্ছে, মুখেও যেন ক্লান্তির ছাপ। সেই সময়টাতেই নাকি জীবনের এক বড় মোড় ঘুরিয়ে দেন আরেক তারকা গোবিন্দ।
দুই তারকা একসঙ্গে কাজ করেছিলেন ২০০৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি পার্টনার-এ। ছবিতে তাদের রসায়ন যেমন দর্শক মাতিয়েছিল, তেমনি নেপথ্যেও নাকি তৈরি হয়েছিল এক ভিন্ন গল্প। গোবিন্দ এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেন, সাধারণত তিনি মদ্যপান করেন না। কিন্তু একদিন নেশার ঘোরেই নাকি সালমানকে সরাসরি বলে ফেলেন, তার চোখ-মুখ বসে যাচ্ছে, চুল উঠে যাচ্ছে, চেহারায় জৌলুস কমে যাচ্ছে। কিছু একটা করা জরুরি।

সেই কথাই নাকি নাড়িয়ে দেয় সালমানকে। শোনা যায়, এরপরই শরীরচর্চায় আরও মন দেন তিনি। বদলে ফেলেন নিজের পর্দার উপস্থিতি। চুল প্রতিস্থাপনও করান বলে গুঞ্জন রয়েছে। দুই হাজার সালের শুরুর দিকে দীর্ঘ সময় মাথায় রুমাল বেঁধে দেখা যেত তাকে। কিন্তু ‘পার্টনার’-এ হাজির হন একেবারে নতুন অবতারে রোমান্টিক নায়ক থেকে যেন হয়ে ওঠেন বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্বের প্রতীক।
তবে সম্পর্কটা নাকি সব সময় মসৃণ ছিল না। ইন্ডাস্ট্রিতে এমন কথাও শোনা যায়, সালমান প্রথম দিকে গোবিন্দের সঙ্গে কাজ করতে অনাগ্রহী ছিলেন। কারণ হিসেবে বলা হয়, গোবিন্দের কৌতুকাভিনয়ের নিখুঁত সময়জ্ঞান ও অভিব্যক্তি পর্দায় অন্যদের ছাপিয়ে যেতে পারে। তবু শেষ পর্যন্ত দুই তারকার জুটি দর্শকপ্রিয়তা পায়।
গল্পের ভাঁজে ভাঁজে তাই উঠে আসে এক অদ্ভুত মুহূর্তের কথা যেখানে বন্ধুত্ব, স্পষ্টবাদিতা আর খানিক সাহস মিলিয়ে বদলে যায় এক তারকার পর্দার চেহারা। আজকের সালমানকে দেখলে হয়তো বোঝার উপায় নেই সেই অনিশ্চিত সময়ের কথা, কিন্তু বলিউডের অন্দরমহলে এখনও ঘোরে সেই আলোচিত উপদেশের গল্প।
পিআর/টিএ