© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

বগুড়ায় জ্বালানি তেল না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন চালকরা

শেয়ার করুন:
বগুড়ায় জ্বালানি তেল না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন চালকরা

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১২:৩০ এএম | ০৬ মার্চ, ২০২৬
বগুড়ায় হঠাৎ করে পেট্রোল ও অকটেনের সংকট দেখা দিয়েছে। শহরের বেশিরভাগ ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন মোটরসাইকেল চালকরা। ক্ষুব্ধ চালকদের অভিযোগ, এটি কৃত্রিম সংকট। তবে ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ বলছে, বাঘাবাড়ি ডিপো থেকে নিয়মিত তেল সরবরাহ না থাকায় এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দিবাগত রাত ১০টার দিকে শহরের কয়েকটি ফিলিং স্টেশন ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

শহরের বগুড়া ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, তেল নেওয়ার জন্য অন্তত ৫০ জন মোটরসাইকেল চালক লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। পাম্প থেকে সীমিত পরিমাণে পেট্রোল সরবরাহ করা হলেও অকটেন বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছে।

তেল নিতে আসা মোটরসাইকেল চালক কমল বলেন, এভাবে হঠাৎ তেল সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে সাধারণ মানুষ বিপদে পড়ে। ইরান-আমেরিকার যুদ্ধের খবর শুনছি, আর এই সুযোগে এখানে সিন্ডিকেট সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

শাহজাহানপুর উপজেলা থেকে কয়েকটি পাম্প ঘুরে বগুড়া ফিলিং স্টেশনে এসেছেন তৌফিকুল আলম। তিনি বলেন, প্রায় এক ঘণ্টা ধরে তেলের জন্য ঘুরছি। মাঝিরা টিএমএসএস পাম্পে অনেক ভিড়। তাই এখানে এসেছি। এখান থেকেও না পেলে আজ মোটরসাইকেল চালানোই মুশকিল হবে।

আরেক চালক মিজানুর রহমান বলেন, হঠাৎ করে তেল সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়া ঠিক হয়নি। এতে সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়ছে।

বগুড়া ফিলিং স্টেশনের কর্মচারী হাফিজার বলেন, সকালে বাঘাবাড়ি থেকে তেল আনতে গাড়ি পাঠানো হয়েছিল। রাত ৯টার দিকে সেটি ফিরে এসেছে। তিনি বলেন, দুই দিন পর মাত্র এক গাড়ি তেল পেয়েছি। এই তেল শেষ হলে আবার কী হবে, তা বলতে পারছি না।

শহরের হক পাম্প অ্যান্ড কোং, নরিমেক্স ফিলিং স্টেশনসহ অন্তত পাঁচটি ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা গেছে, অনেক জায়গায় তেল সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে।

হক পাম্প অ্যান্ড কোং-এর ক্যাশিয়ার রিমন বলেন, আজ বাঘাবাড়ি থেকে তেল আনার গাড়ি ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে জানানো হয়েছে, রোববার বা সোমবারের আগে তেল দেওয়া হবে না। ডিপো থেকে হিসাব করে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে।

তবে হঠাৎ জ্বালানি তেলের সংকটের সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ কিছু জানাতে পারেনি। তাদের দাবি, গত দুই দিন ধরেই সরবরাহ কম ছিল। বৃহস্পতিবার এসে অনেক পাম্পেই তেল প্রায় শেষ হয়ে গেছে।

আরআই/এসএন

মন্তব্য করুন