© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামলের শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবি যুক্তফ্রন্টের

শেয়ার করুন:
অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামলের শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবি যুক্তফ্রন্টের

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৭:১০ পিএম | ০৬ মার্চ, ২০২৬
অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামলের শ্বেতপত্র প্রকাশ ও উপদেষ্টাদের দুর্নীতির অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত দাবি জানিয়েছে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট। 

আজ শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে যুক্তফ্রন্ট নেতৃবৃন্দ বলেছেন, গণতান্ত্রিক উত্তোরণের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামলের শ্বেতপত্র প্রকাশ ও উপদেষ্টাদের দুর্নীতির অভিযোগ যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট করা এবং দোষী হলে বিচারের আওতায় আনতে হবে।

বিবৃতিদাতারা হলেন বাসদ সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ ক্কাফী রতন, বাংলাদেশ জাসদের সভাপতি শরীফ নূরুল আম্বিয়া ও সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবীর জাহিদ, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, বাসদ (মার্কসবাদী) সমন্বয়ক মাসুদ রানা, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক পার্টির নির্বাহী সভাপতি আব্দুল আলী, জাতীয় গণফ্রন্টের ভারপ্রাপ্ত সমন্বয়ক রজত হুদা এবং সোনার বাংলা পার্টির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হারুন অর রশীদ।
 
বিবৃতিতে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে ইতিমধ্যে বিভিন্ন মহল থেকে আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে। সরকারের বিভিন্ন উপদেষ্টাদের সম্পর্কে দুর্নীতির অভিযোগ গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পর তাদের ওপর বিচার, সংস্কার ও নির্বাচনের দায়িত্ব অর্পিত হয়েছিল। এর সঙ্গে ছিল দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, দলীয়করণ ও দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন ইত্যাদি। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে মব সন্ত্রাস ভয়াবহ রূপ নিয়েছিল।

এ ক্ষেত্রে সরকারের কারো কারো বক্তব্যে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ মদদ ছিল বলে জনমনে ধারণা রয়েছে। 

বিবৃতিতে বলা হয়, শেখ হাসিনার বিচারের একটির মামলার রায় ছাড়া অভ্যুত্থানে হত্যাকাণ্ডের বিচারের তেমন উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দৃশ্যমান হয়নি। তাছাড়া ব্যাপক মামলা বাণিজ্যের কারণে অনেক নিরীহ মানুষও হয়রানির শিকার হয়েছে। সব দলের সম্মতিতে ঐকমত্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করে নিজেদের মত জোর করে চাপিয়ে দিতে চাওয়ায় যেসব প্রয়োজনীয় সংস্কার হতে পারত তাও ভেস্তে যেতে বসেছে।

এই অবস্থায় বিগত সরকারের শাসনামলের শ্বেতপত্র প্রকাশ করা জরুরি।

এসএস/এসএন

মন্তব্য করুন