© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ওয়াসার এমডিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান

শেয়ার করুন:
ওয়াসার এমডিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১১:২৫ পিএম | ০৬ মার্চ, ২০২৬
ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী আব্দুস সালাম ব্যাপারী এবং প্রতিষ্ঠানটির তিন প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ গ্রহণ, মানহীন সামগ্রী ক্রয় এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের মাধ্যমে শত শত কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

দুদকের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে দেশের একটি গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অন্য অভিযুক্তরা হলেন ঢাকা ওয়াসার একটি প্রকল্পের পরিচালক প্রকৌশলী মাহমুদুল ইসলাম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ওয়াজ উদ্দিন ওয়াজ ও নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোস্তাফিজুর রহমান। এই তিন প্রকৌশলীর বিরুদ্ধেও পৃথকভাবে অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুদক। 

দুদক সূত্র জানায়, আব্দুস সালাম ব্যাপারীর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, বিদেশে অর্থ পাচার এবং বিভিন্ন আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগের অনুসন্ধান করছেন দুদকের উপপরিচালক মো. আহসানুল কবীর পলাশ।

সূত্র আরও জানায়, আব্দুস সালাম ব্যাপারী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএস ও বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় একাধিক ফ্ল্যাট থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। এ ছাড়া কানাডার টরন্টোতে বাড়ি এবং বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে তাঁর ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে এফডিআর, সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য আমানতে প্রায় ৫০ কোটি টাকার স্থিতি থাকার অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

অন্যদিকে ওয়াসার ওই তিন প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অনুসন্ধান করছেন দুদকের উপপরিচালক মো. হাফিজুল ইসলামসহ পাঁচ সদস্যের একটি দল। তাঁদের বিরুদ্ধে ‘এনভায়রনমেন্টালি সাসটেইনেবল ওয়াটার সাপ্লাই প্রজেক্ট’-এ চুক্তিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের পরিবর্তে অনভিজ্ঞ একটি চীনা কোম্পানি থেকে কম দামের ও মানহীন ডাকটাইল আয়রন পাইপ কেনার অভিযোগ রয়েছে। এর মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

দুদক সূত্র আরও জানায়, ঢাকা ওয়াসার কয়েকটি বড় প্রকল্পে ঠিকাদার নিয়োগে অনিয়ম, ঘুষ লেনদেন, অস্বাভাবিক ব্যয় বৃদ্ধি এবং নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি পাইপলাইন লিকেজ, অবৈধ সংযোগ ও মিটার রিডিংয়ে গাফিলতির কারণে বড় ধরনের সিস্টেম লস ও আর্থিক ক্ষতির মুখেও পড়ছে প্রতিষ্ঠানটি।

এসব অভিযোগের বিষয়ে প্রাথমিক তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে দুদকের ওই কর্মকর্তা জানিয়েছেন।


ইউটি/টিএ 

মন্তব্য করুন