© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

কোচবিহার থেকে মুম্বাই, মৌনী রায়ের স্বপ্নপূরণের গল্প

শেয়ার করুন:
কোচবিহার থেকে মুম্বাই, মৌনী রায়ের স্বপ্নপূরণের গল্প

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০১:৪২ পিএম | ০৯ মার্চ, ২০২৬
কোচবিহারের ছোট্ট শহর থেকে মুম্বইয়ের গ্ল্যামার দুনিয়ায় নিজের আলাদা স্থান গড়ে তোলার গল্প বয়ে আনলেন অভিনেত্রী মৌনী রায়। ১৯৮৫ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করা এই অভিনেত্রী সাংস্কৃতিক পরিবেশে বড় হয়ে ওঠেন। পিতামহ শেখর চন্দ্র রায় ছিলেন জাতীয় থিয়েটারের সুপরিচিত শিল্পী, মা মুক্তি রায়ও থিয়েটারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বাবা অনিল রায় জেলা পরিষদের অফিসে সুপারিনটেনডেন্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ছোটবেলা থেকেই অভিনয় ও নাচের প্রতি মৌনীর আগ্রহ ছিল গভীর। প্রশিক্ষিত কত্থক নৃত্যশিল্পী হিসেবে শুরু হয়েছিল তার সৃজনশীল যাত্রা।



শিক্ষার জন্য দিল্লি চলে গিয়ে জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শুরু করেন মৌনী। তবে অভিনয়ের প্রতি প্রবল আকর্ষণই তাকে টেনে আনে মুম্বইয়ে। মাস্টার্সের সময়ই প্রথম অভিনয়ের সুযোগ পান এবং সেই মুহূর্তই তার ক্যারিয়ারের দিক পরিবর্তন করে দেয়। ২০০৭ সালে ‘কিউকী সাস ভি কাভি বাহু থি’ ধারাবাহিকে কৃষ্ণতুলসী চরিত্রে অভিনয় করে টেলিভিশনে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। এরপর নাচের রিয়েলিটি শো যারা নাচকে দেখা-তে অংশগ্রহণ করে প্রথম সিজনে বিজয়ী হন।



ধারাবাহিকভাবে একাধিক জনপ্রিয় সিরিজে অভিনয় করে নিজের অবস্থান মজবুত করেন মৌনী। বিশেষ করে দেবও কী দেব মহাদেব-এ সতীর চরিত্রে দর্শকদের মন জয় করেন। তবে তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় সাফল্য আসে ‘নাগিন’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে, যেখানে শিবান্যা ও শিবাঙ্গীর দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। টেলিভিশনের সাফল্যের পর বলিউডেও নিজের জায়গা তৈরি করেছেন মৌনী।



ব্যক্তিগত জীবনে ২০২২ সালের ২৭ জানুয়ারি গোয়ার পানাজিতে ঐতিহ্যবাহী বাঙালি ও মালয়ালি রীতিতে দুবাই-ভিত্তিক ব্যবসায়ী সুরজ নাম্বিয়ারকে বিয়ে করেন। ছোট শহর থেকে বড় স্বপ্ন দেখলে এবং লড়াই করলে সাফল্য পাওয়া সম্ভব, এ বার্তাই তার জীবনের সবচেয়ে বড় উদাহরণ।

পিআর/টিকে

মন্তব্য করুন