ঈদের সিনেমার ট্রেলারের চেয়েও আমার কনটেন্ট বেশি সাড়া পাচ্ছে : জায়েদ খান
ছবি: সংগৃহীত
০৪:১১ পিএম | ০৯ মার্চ, ২০২৬
কিছুদিন আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয় অভিনেতা জায়েদ খানের একটি ছবি, যেখানে তাকে নিউ ইয়র্ক-এর রাস্তায় শ্রমিকের কাজ করতে দেখা যায়। বিষয়টি দেখে অনেকেই বিস্মিত হন। সত্যিই কি তিনি আমেরিকায় গিয়ে দিনমজুরের কাজ করছেন এমন প্রশ্নও ওঠে নেটিজেনদের মাঝে। আবার কেউ কেউ তার এই লুক নিয়ে ইতিবাচক মন্তব্যও করেন।
পরে জানা যায়, ছবিটি ‘আমেরিকান ড্রিম’ শিরোনামের একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের দৃশ্য। সংগীতশিল্পী জন কবির পরিচালিত এই চলচ্চিত্রে একেবারে খেটে খাওয়া সাধারণ প্রবাসী বাঙালির চরিত্রে দেখা গেছে জায়েদ খানকে।
প্রবাসীদের জীবনে ‘আমেরিকান ড্রিম’ শুধু স্বপ্ন নয় এর পেছনে থাকে সংগ্রাম, ত্যাগ ও অজানা বাস্তবতা। মাত্র আড়াই মিনিটের এই চলচ্চিত্রে সেই বাস্তবতাই ফুটিয়ে তুলেছেন জায়েদ খান।
মুক্তির পর তার অভিনয় ও অভিব্যক্তি নিয়ে সামাজিকমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
দর্শকদের অনেকেই মন্তব্য করেছেন, জায়েদ খানকে এমনভাবে আগে দেখা যায়নি। কেউ লিখেছেন, “অভিনেতা জায়েদ খানকে দেখলাম, আমরা হিরো জায়েদ খানকে চাই না।” আবার কেউ লিখেছেন, “অবশেষে আমরা অভিনেতা জায়েদ খানকে পেলাম।

অসাধারণ পরিবর্তন, দারুণ অভিনয়।”
দর্শকদের এমন ইতিবাচক সাড়ায় অভিভূত হয়েছেন জায়েদ খান। তিনি বলেন, “সাফল্য কার না ভালো লাগে। এত শেয়ার ও প্রশংসা দেখে সত্যিই আবেগাপ্লুত হয়েছি। আমেরিকা, কানাডা, বাংলাদেশ, লন্ডনসহ সারা বিশ্বের বাঙালিরা আমাকে যেভাবে প্রশংসা করছে, অনুভূতিটা অন্যরকম।
এবার ঈদের সিনেমার ট্রেলারের চেয়েও আমার কাজটি বেশি সাড়া পেয়েছে। সত্যি অনেক ভালো লাগছে।”
যারা একসময় তাকে নিয়ে ট্রল করতেন, তাদের নিয়েও কথা বলেন এই অভিনেতা। জায়েদ খান বলেন, “যারা আমাকে নিয়ে ট্রল করত তাদের দোষ দেব না। তারাও নিশ্চয় আমাকে পছন্দ করে, যার কারণে আমাকে এত এটেনশন দিত। সব সমালোচনা মাথা পেতে নিয়ে আমি শুধু কাজটাকেই গুরুত্ব দিয়েছি। যুক্তরাষ্ট্রে এসে নিজেকে নতুনভাবে গড়ার চেষ্টা করেছি। শরীরের ওজন কমিয়েছি, যা যা দরকার সবই করেছি। যার কারণে হয়তো সাফল্য এসে ধরা দিয়েছে। এখন অভিনয়টাই আমার ধ্যান-জ্ঞান। সামনে আরও ভালো ভালো কাজ আসবে, যা দিয়ে আবারও দর্শকদের চমকে দেব। নিজের মধ্যে ভালো কাজ করার ক্ষুধা এখন অনেক বেড়ে গেছে। এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখব।”
এমকে/টিএ