© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ফয়সালকে ফেরত পাঠানো প্রসঙ্গে কী বলছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ?

শেয়ার করুন:
ফয়সালকে ফেরত পাঠানো প্রসঙ্গে কী বলছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ?

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৭:৫৫ পিএম | ০৯ মার্চ, ২০২৬
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে পশ্চিমবঙ্গ থেকে যে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে রাজ্য পুলিশ ভারতে অবৈধ প্রবেশের অভিযোগে মামলা করেছে।

গ্রেপ্তার হওয়ার সময়ে তাঁদের কাছে কোনো ভারতীয় নথিপত্র ছিল না বলেও রাজ্য পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে। ওই দুজনকে আদালতে তোলার পরে তাদের ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই দুজনকে বাংলাদেশের হাতে তুলে দেওয়া হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া রাজ্য পুলিশের এখতিয়ারের বাইরে। এর আগে ফয়সাল করিম মাসুদ এবং তাঁর সঙ্গী আলমগীর হোসেনকে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্কফোর্স গ্রেপ্তার করে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে বনগাঁও থেকে।

কলকাতায় বাংলাদেশের উপদূতাবাস জানিয়েছে, এই দুজনের সঙ্গে দেখা করার জন্য তারা ভারত সরকারের কাছে কনসুলার এক্সেস চেয়েছে। কনস্যুলার এক্সেসের মাধ্যমে বিদেশের কোনো কূটনীতিক ভারতে ধৃত বিদেশি নাগরিকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।

এই মামলাটির ‘সংবেদনশীলতা এবং গুরুতর প্রকৃতি’র কথা মাথায় রেখে দুই দেশের প্রশাসনিক সহযোগিতায় এই প্রক্রিয়াটি ‘দ্রুত সম্পন্ন হতে পারে’ বলে জানিয়েছেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ কর্মকর্তারা জানতে পারেন, হাদির হত্যার পর ফয়সাল মাসুদ এবং আলমগীর হোসেন বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে বৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে।

যদিও এর কিছুদিন আগেই এই দুজনকে গ্রেপ্তারের তথ্য প্রকাশ হয়েছিল বাংলাদেশের কিছু গণমাধ্যমে, তখন ভারতের পুলিশ ও বিএসএফ কর্মকর্তারা তা নাকচ করে দিয়েছিলেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, তারা এরপর ভারতের বিভিন্ন জায়গা দিয়ে চলাফেরা করেন এবং অবশেষে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁও সীমান্ত এলাকায় এসে লুকিয়ে থাকেন। আন্তর্জাতিক সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার তাঁদের পরিকল্পনা ছিল বলে পুলিশের দাবি।

তাদের সঙ্গে আরো অন্য কেউ অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিল কি না, তাও তদন্ত করে দেখছেন পুলিশ কর্মকর্তারা। গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ঢাকার বিজয়নগরে একটি প্রচারাভিযানের সময় হাদি গুলিবিদ্ধ হন। ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে মারা যান তিনি।

আইকে/টিএ

মন্তব্য করুন