© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

৮ বছরের মামলায় অবশেষে খালাস পেলেন গায়ক আসিফ আকবর!

শেয়ার করুন:
৮ বছরের মামলায় অবশেষে খালাস পেলেন গায়ক আসিফ আকবর!

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৩:৫৫ পিএম | ১০ মার্চ, ২০২৬
আট বছর ধরে চলা মামলায় অবশেষে খালাস পেয়েছেন সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর। সোমবার রায় ঘোষণার পর নিজের অনুভূতি জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, “অভিযোগটি ছিল ‘মিথ্যার ওপর প্রতিষ্ঠিত’ এবং দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে ন্যায়বিচার পেয়েছেন বলে তিনি সন্তুষ্ট।”

সোমবার ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আয়েশা আক্তার মৌসুমী বিদেশি মদ নিজের হেফাজতে রাখার অভিযোগে করা মামলায় আসিফ আকবরকে খালাস দেন। রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন তিনি।

আসামিপক্ষের আইনজীবী প্রদীপ কুমার দেবনাথ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রায় পাওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় আসিফ আকবর বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ, এটা একটা মিথ্যার ওপর প্রতিষ্ঠিত অভিযোগ ছিল। রোজার মাসেই মামলার সিকোয়েন্স তৈরি হয়েছিল, আবার রোজার মাসেই রায় পেলাম। আমি সন্তুষ্ট, আমি খুশি।

আট বছর ধরে নিয়মিত আদালতে আসছি। কোনো প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করিনি, রাজনৈতিক ইস্যু বানাতে চাইনি। আমি শুধু ন্যায়বিচার চেয়েছি। লড়ার চেষ্টা করেছিলাম।



আমার আগের মামলাগুলো লড়ে গেছি, এই কারণেই খালাস পেয়েছি।”

কথা প্রসঙ্গে আসিফ আকবর আরো বলেন, “আমি একজন আইনজীবীর সন্তান। জন্ম থেকেই আদালতের নিয়মকানুনের প্রতি আমার শ্রদ্ধা আছে। তাই কখনোই এসব বিষয় নিয়ে প্রকাশ্যে খুব একটা কথা বলিনি। দীর্ঘ আট বছর আমার পরিবার, ভক্ত ও দেশের মানুষ যারা আমাকে ভালোবাসে তারা কষ্টে ছিল।

আজ আদালতের রায়ে আমি মুক্তি পেলাম, এটা আমার ও আমার পরিবারের জন্য অনেক আনন্দের।”

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ৬ জুন আসিফ আকবরের রাজধানীর অফিস থেকে চার বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয় বলে দাবি করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পরে লাইসেন্স ছাড়া মদ নিজের দখলে রাখার অভিযোগে ২০১৯ সালের ২৩ জুলাই রাজধানীর তেজগাঁও থানায় মামলা করেন সিআইডির সাইবার তদন্ত শাখার উপপরিদর্শক প্রশান্ত কুমার সিকদার।

তদন্ত শেষে ওই বছরের ১৩ অক্টোবর মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। পরে ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর আদালত অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। তিনজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে সোমবার মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে খালাস পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন আসিফ আকবর।

এমকে/টিএ

মন্তব্য করুন