টাঙ্গাইল শহরে ব্র্যাক ড্রাইভিং স্কুলের ১১তম শাখার যাত্রা শুরু
ছবি: সংগৃহীত
০৮:০৮ পিএম | ১০ মার্চ, ২০২৬
দক্ষ প্রশিক্ষক ও মানসম্মত চালক সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সহায়ক এই মূলনীতিকে সামনে রেখে আইএসও ৯০০১:২০১৫ সনদপ্রাপ্ত ব্র্যাক ড্রাইভিং স্কুলের ১১তম শাখা আজ টাঙ্গাইল শহরের টাঙ্গাইল হাউজিং এস্টেটে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে। নতুন এই শাখার মাধ্যমে টাঙ্গাইল ও আশপাশের এলাকার আগ্রহী ব্যক্তিদের জন্য পেশাদার ও নিরাপদ ড্রাইভিং প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি হলো।
বাংলাদেশে প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবে অদক্ষ ও অপর্যাপ্ত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত চালকদের বিষয়টি উঠে আসে। দেশের মোট যানবাহনের সংখ্যার তুলনায় প্রশিক্ষিত ও দক্ষ চালকের অভাব এখনো প্রকট। এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে দক্ষ চালক তৈরির লক্ষ্যে ব্র্যাক ড্রাইভিং স্কুল টাঙ্গাইলে তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে।
এই স্কুলে নতুন চালক তৈরির পাশাপাশি ইতোমধ্যে কর্মরত চালকদের জন্যও রয়েছে দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ।

অভিজ্ঞ চালকেরা চাইলে তাদের চালনা দক্ষতা বাড়াতে এখানে ডিফেন্সিভ ড্রাইভিং ট্রেনিং গ্রহণ করতে পারবেন, যা সড়কে ঝুঁকি মোকাবিলা এবং নিরাপদভাবে যানবাহন পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক ড্রাইভিং স্কুলের সেন্টার ম্যানেজার গৌতম সরকার, প্রশিক্ষক সুকেশ চন্দ্র দেব, টাঙ্গাইল জেলার ব্র্যাকের কোঅর্ডিনেটর সরকার হাসান ওয়াইজ, ব্র্যাকের মাইক্রোফিন্যান্স কর্মসূচির (দাবি–টাঙ্গাইল ১) আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক ইন্দ্রজিৎ কুমার পাল এবং একই কর্মসূচির আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক (দাবি–টাঙ্গাইল ২) মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। এছাড়াও ব্র্যাকের বিভিন্ন কর্মসূচির কর্মীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে দক্ষ ও সচেতন চালক তৈরির বিকল্প নেই। ব্র্যাক ড্রাইভিং স্কুল দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ চালক তৈরি করে আসছে এবং নতুন এই শাখা টাঙ্গাইল অঞ্চলের সড়ক নিরাপত্তা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ব্র্যাক ড্রাইভিং স্কুল আধুনিক প্রশিক্ষণ পদ্ধতি, অভিজ্ঞ প্রশিক্ষক এবং বাস্তবভিত্তিক অনুশীলনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ ও দায়িত্বশীল চালক হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে। টাঙ্গাইল শাখার কার্যক্রম শুরু হওয়ার মাধ্যমে স্থানীয় তরুণ-তরুণীদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সম্ভাবনাও তৈরি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।
ইউটি/টিএ