© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

বিএনপির ফ্যামিলি কার্ড ও জুলাই সনদ ইস্যুতে শিশির মনিরের ফেসবুক পোস্ট

শেয়ার করুন:
বিএনপির ফ্যামিলি কার্ড ও জুলাই সনদ ইস্যুতে শিশির মনিরের ফেসবুক পোস্ট

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০১:১১ এএম | ১১ মার্চ, ২০২৬
নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কে ধন্যবাদ জানিয়েছে জামায়াত নেতা ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শিশির মনির। পাশাপাশি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করায় সরকারকে তিরস্কারও করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক পোস্টে এসব লেখেন তিনি।

শিশির মনির লেখেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন করে প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেছেন-সে জন্য সরকারকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। অপরপক্ষে প্রতিশ্রুত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ভঙ্গ করেছেন-সেজন্য সরকারকে অনেক অনেক তিরস্কার।’

এর আগে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে রাজধানীর বনানী টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তিসংলগ্ন) ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি বলেন, নারীদের স্বাবলম্বী ও ক্ষমতায়ন করতে পারলেই দেশ এগিয়ে যাবে। সরকার পর্যায়ক্রমে চার কোটি পরিবারকে আগামী ৫ বছরে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেবে।

উল্লেখ্য, প্রাথমিকভাবে ঢাকার কড়াইল ও ভাসানটেক বাগানবাড়ি বস্তি, রাজবাড়ীর পাংশা, চট্টগ্রামের পটিয়া এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরসহ দেশের ১৪টি স্থানে ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প চালু হচ্ছে। এর আওতায় নির্বাচিত নারীরা মাসে আড়াই হাজার টাকা করে পাবেন; এ সময় তিনি অন্যকোনো ভাতা বা সুবিধা পাবেন না। তবে পরিবারের অন্য কেউ কোনো সুবিধা পেয়ে থাকলে তা বহাল থাকবে।

পাইলট প্রকল্পের আওতায় দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন ও ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। রাজধানীর কড়াইল বস্তি, ভাসানটেক বাগানবাড়ি বস্তি, রাজবাড়ীর পাংশা, চট্টগ্রামের পটিয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর, বান্দরবানের লামা, খুলনার খালিশপুর, ভোলার চরফ্যাসন, সুনামগঞ্জের দিরাই, কিশোরগঞ্জের ভৈরব, বগুড়া সদর, নাটোরের লালপুর, ঠাকুরগাঁও সদর এবং দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ এ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এ জন্য ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হয়। ওয়ার্ড কমিটির সদস্যরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থা, সদস্য সংখ্যা, শিক্ষা, বাসস্থান, ব্যবহৃত গৃহস্থালিসামগ্রী (টিভি, ফ্রিজ, কম্পিউটার ও মোবাইল), রেমিট্যান্স প্রবাহসহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেন। পরে এসব তথ্য ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে যাচাই-বাছাই করা হয়।

পাইলট পর্যায়ে ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারীপ্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পরে সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রক্সি মিনস টেস্ট বা দারিদ্র্য সূচক নির্ধারণ করে পরিবারগুলোকে হতদরিদ্র, দরিদ্র, নিম্ন মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্ন মধ্যবিত্ত হিসেবে চিহ্নিত ৫১ হাজার ৮০৫টি পরিবারের তথ্য যাচাইয়ের পর ৪৭ হাজার ৭৭৭টি সঠিক পাওয়া যায়। এরপর একই ব্যক্তির একাধিক ভাতা নেওয়া, সরকারি চাকরি বা পেনশনভোগী হওয়া ইত্যাদি বিবেচনায় চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭ জন পরিবারের নারীপ্রধানকে ভাতা দেওয়ার জন্য নির্বাচন করা হয়।

এমআর/টিকে 

মন্তব্য করুন