ভোট কারচুপির অভিযোগে হাইকোর্টে জামায়াত সেক্রেটারিসহ ৪ প্রার্থীর মামলা
ছবি: সংগৃহীত
০৭:২৬ এএম | ১২ মার্চ, ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগে হাইকোর্টে মামলা করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও খুলনা-৫ আসনের প্রার্থী মিয়া গোলাম পরওয়ার। একই অভিযোগে ঢাকা-১১ আসনের বিএনপির এম এ কাইয়ুম, বরগুনা-২ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. সুলতান আহমেদ এবং পিরোজপুর-২ আসরেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শামীম সাঈদী পৃথক নির্বাচনি আবেদন (ইলেকশন পিটিশন) দায়ের করেছেন।
বুধবার (১১ মার্চ) আদালতে অভিযোগ দাখিল করা হয়। আদালত সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিচারপতি জাকির হোসেনের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালে এ মামলার শুনানি হবে।
এর আগে নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগ এনে হাইকোর্টে মামলা করেছেন এগারো দলীয় জোটের প্রার্থী ও খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। এছাড়া একই অভিযোগে বিএনপির আরও চারজন প্রার্থী হাইকোর্টে পৃথক নির্বাচনী আবেদন (ইলেকশন পিটিশন) দায়ের করেছেন।
মামলাকারী প্রার্থীরা হলেন— খেলাফত মজলিসের আমির ও ১১ দলীয় জোট প্রার্থী মাওলানা মামুনুল হক, গাইবান্ধা-৫ আসনের বিএনপি প্রার্থী ফারুক আলম সরকার, ঢাকা-৫ আসনের বিএনপি প্রার্থী নবী উল্লাহ নবী, পাবনা-৩ আসনে বিএনপি হাসান জাফির তুহিন এবং কুষ্টিয়া-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী।
এর আগে বিভিন্ন আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিএনপির ১৪ জন, ১১ দলীয় জোটের ৮ জন এবং একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর আবেদনের শুনানি হয়। ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট আসনগুলোর ব্যালট পেপার ও রেজাল্ট শিট হাইকোর্টের হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন নির্বাচনী বেঞ্চ।
গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের (আরপিও) ৪৯ ধারা অনুযায়ী, নির্বাচনে কোনও ধরনের অনিয়ম বা কারচুপির বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে ‘নির্বাচনী আবেদন’ করার বিধান রয়েছে। এসব আবেদনের শুনানির জন্য গঠিত বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক বেঞ্চে বর্তমানে নিয়মিতভাবে শুনানি চলছে নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে সংশ্লিষ্ট আসনের ফলাফলের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন।
টিজে/এসএন