ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক / নিরাপদ ঈদ যাত্রায় বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা
ছবি: সংগৃহীত
১২:২৯ পিএম | ১২ মার্চ, ২০২৬
আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল ফিতরে ঘরমুখী মানুষ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার ১০৫কিলোমিটার এলাকায় বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কারণে যানজটে পড়তে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
যাত্রী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টদের মতে, চারটি বিষয় নিরাপদ ঈদ যাত্রায় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। সেগুলো হচ্ছে,মহাসড়কের পাশ ও ফুটপাত দখল,মহাসড়কের উপরে এলোমেলো পার্কিং, মহাসড়কের ওপর বাজার ও মহাসড়ক সংস্কার।
দেখায় যায়, কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরিপুরে দুই লেনে মহাসড়কের ওপরে গাড়ি পার্কিং করা হয়। একই অবস্থা দাউদকান্দির ইলিয়গঞ্জ, চান্দিনার মাধাইয়া, কুটুম্বপুর, চান্দিনা সদর, বুড়িচংয়ের নিমসার, সদর দক্ষিণের পদুয়ার বাজার, সুয়াগাজী চৌদ্দগ্রামের মিয়া বাজার,চৌদ্দগ্রাম সদরে। পদুয়ার বাজার, মিয়া বাজার, চৌদ্দগ্রাম সদরের ফুটপাত বেশি দখল হয়েছে।
নিমসার, মিয়া বাজার ও চৌদ্দগ্রাম সদরে মহাসড়কে বাজারও বসে।
এছাড়াও কুমিল্লা সদর উপজেলার আমতলী ও নিশ্চিন্তপুর এলাকায় সড়ক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এখানে সড়ক সংস্কারের কারণে যান চলছে ধীরগতিতে।
এদিকে এসব স্থানের মধ্যে পদুয়া বাজার একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। এখানে মহাসড়কের ওপর দিয়ে ক্রস করেছে কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়ক। এই সড়ক দিয়ে লক্ষীপুর ও চাঁদপুরের পরিবহনও যাতায়াত করে। এখানে চট্টগ্রামগামী লেনে ফুটওভার ব্রিজের নিচে এলোপাতাড়ি বাস পার্কিং করে রাখা হয়। এখানের যানজটের প্রভাব পড়ে সামনের ইউটার্নে।
এদিকে এই মোড়ের মসজিদের সামেনে একটি বাসের কাউন্টার করা হয়েছে। অধিকাংশ সময় বাস সড়কে রাখা হয়। এতে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।
যাত্রী মেঘদাত হোসেন,ফখরুল ইসলাম ও আলাউদ্দিন বলেন, ফুটপাত দখল,এলোপাতাড়ি পার্কিং ও বাজারের কারণে মহাসড়কে প্রায় যানজট হয়। এখানে প্রশাসনের নজর না বাড়ালে ঈদে ঘরমুখো মানুষ যানজটের ভোগান্তিতে পড়বেন।
কুমিল্লা বাঁচাও মঞ্চের দক্ষিণ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবদুল হালিম মজুমদার বলেন, ফুটপাত দখল মুক্ত করতে হবে। এছাড়া বাস দাঁড়ানোর জন্য পার্কিং স্পেস তৈরি করতে হবে। বিশেষ করে মোড়ে না দাঁড়িয়ে সামনে বা পেছনে দাঁড়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে।
হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহিনুর আলম খান বলেন,মহাসড়কের সমস্যা গুলো আমাদের নলেজে রয়েছে। আমরা কয়েকদিন আগেও ফুটপাতের দখল উচ্ছেদ করেছি। এবিষয়ে পরিবহন মালিকসহ সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলেছি। আশা করছি সবার সহযোগিতায় আমরা পবিত্র ঈদ উল ফিতরে ঘরমুখী মানুষকে নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছাতে ভূমিকা রাখতে পারবো।
এসএন