© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

হিমাচলের বরফে শ্বেতা-রুবেলের মধুচন্দ্রিমা!

শেয়ার করুন:
হিমাচলের বরফে শ্বেতা-রুবেলের মধুচন্দ্রিমা!

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১০:৩৭ এএম | ১৫ মার্চ, ২০২৬
বিয়ের এক বছর পূর্ণ হওয়ার পর অবশেষে নিজেদের জন্য একটু সময় বের করতে পারলেন রুবেল দাস এবং শ্বেতা ভট্টাচার্য। টানা কাজের ব্যস্ততার কারণে এত দিন আলাদা করে কোথাও যাওয়া হয়ে ওঠেনি তাদের। তাই প্রথম বিবাহবার্ষিকী ঘিরেই দুজনের পরিকল্পনা ছিল একটু দূরে গিয়ে নিরিবিলি সময় কাটানোর। সেই পরিকল্পনাতেই পাড়ি হিমাচল প্রদেশ-এ।

রুবেলের কাছে পাহাড় সব সময়ই বিশেষ পছন্দের, আর শ্বেতার টান সমুদ্রের দিকে। তবু এবার স্ত্রীকে নিয়ে প্রথমবার পাহাড়ি সফরের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিতে গিয়ে অভিনেতার কণ্ঠে ছিল আলাদা উচ্ছ্বাস। তিনি জানিয়েছেন, আবহাওয়া ছিল আরামদায়ক, যা শীতকাতুরে শ্বেতার জন্য বেশ স্বস্তির ছিল। সফরের মাঝেই পেয়েছেন বরফের দেখা, তবে সেই বরফে দাঁড়িয়ে ছবি বা চলতি ধাঁচের দৃশ্য ধারণের চেয়ে প্রকৃতিটাকেই বেশি উপভোগ করেছেন তারা।

ভ্রমণে স্থানীয় খাবারের স্বাদ নিতেও ভোলেননি এই দম্পতি। পাহাড়ি অঞ্চলের জনপ্রিয় খাবার সিড্ডু খেয়ে বেশ ভালো লেগেছে তাদের। রুবেলের কথায়, ভ্রমণটা ছিল নির্ভার, তাড়াহুড়ো ছাড়া এবং নিজের মতো করে সময় কাটানোর।

পাহাড়ে গিয়ে বহু বাঙালি অনুরাগীর সঙ্গেও দেখা হয়েছে তাদের। অনেকেই চিনে ছবি তুলতে এগিয়ে এসেছেন। সেই মুহূর্তগুলোও সফরকে আরও স্মরণীয় করেছে।



রুবেল মনে করেন, এটিকে আর প্রচলিত অর্থে মধুচন্দ্রিমা বলা যায় না, বরং এটি বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষে একসঙ্গে কাটানো বিশেষ সময়। পরিবারের সদস্যদের জন্য উপহার কেনা হয়েছে, যদিও নিজেদের জন্য কিছু কেনেননি তারা।

বিয়ের পর এক বছর কেটে গেলেও কোথাও ঘুরতে না যেতে পারার আক্ষেপ ছিল শ্বেতার। এই সফরের পর সেই অভিমান অনেকটাই মুছে গেছে বলেই মনে করছেন রুবেল। সুযোগ পেলেই আবার কোথাও বেরিয়ে পড়ার ইচ্ছাও রয়েছে তাদের।

পিআরি/টিকে


মন্তব্য করুন