© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ইতিকাফের সময় নখ কাটা যাবে?

শেয়ার করুন:
ইতিকাফের সময় নখ কাটা যাবে?

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১২:৫৮ পিএম | ১৬ মার্চ, ২০২৬
নখ কাটা সুন্নত ও পবিত্রতার অংশ। নখ কাটাকে মানুষের স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্য বলা হয়েছে। নারী-পুরুষের দায়েমী সুন্নতের অন্তর্ভুক্ত নখ কাটা। রাসুল (সা.) বলেছেন, ফিতরাত হলো পাঁচটি বিষয়, খৎনা করা, নাভির নিচের লোম পরিষ্কার করা, নখ কাটা, বগলের পশম উপড়ে ফেলা এবং গোঁফ খাটো করা। (ইবনে মাজাহ, হাদিস: ২৯২)।

সাধারণত শুক্রবার জুমার নামাজ পড়তে যাওয়ার আগে নখ কেটে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন হওয়া সুন্নত। তবে যেকোনো সময় নখ কাটা যায়। ইতিকাফে বসেও নখ কাটা যায়। ইতিকাফে বসে নখ কাটতে কোনো সমস্যা নেই। তবে নখ কাটার সময় যেন মসজিদে ময়লা না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে এবং এজন্য নখ কাটার জন্য কোন চাদর, গামছা বিছিয়ে নেওয়া উচিত। 

ইতিকাফের গুরুত্ব

রমজানের শেষ দশকের গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত ইবাদত ইতিকাফ। পুরুষদের মসজিদে ইতিকাফ করা আবশ্যক। রমজানের শেষ ১০ দিন ইতিকাফের বিধান হলো সুন্নতে মুয়াক্কাদা আলাল কিফায়া। অর্থাৎ, এলাকাবাসীর কোনো একজন আদায় করে নিলে সবার পক্ষ থেকে আদায় হয়ে যাবে। আর কেউ আদায় না করলে সবাই গুনাহগার হবে।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ‘মনে কর সেই সময়কে, যখন আমি কাবা ঘরকে মানুষের মিলনক্ষেত্র ও আশ্রয়স্থল করেছিলাম। আর আমি বলেছিলাম, তোমরা ইব্রাহিমের দাঁড়ানোর জায়গাকেই নামাজের জায়গা হিসেবে গ্রহণ কর। আর আমি ইব্রাহিম ও ইসমাইলকে আদেশ করি; তোমরা আমার ঘরকে পবিত্র রাখবে, তাদের জন্য যারা এটা প্রদক্ষিণ করবে, এখানে বসে ইতিকাফ করবে এবং এখানে রুকু ও সিজদা করবে।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১২৫)।

মহানবী (সা.) অনেক নফল ইবাদত করতেন আবার কখনো ছেড়ে দিতেন; কিন্তু মদিনায় হিজরতের পর জীবদ্দশায় রমজানের শেষ দশকের ইতিকাফ কখনো ছাড়েননি।

নবীজি (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি রমজান মাসের শেষ দশদিন ইতিকাফ করবে, তাকে দুটি হজ ও দুটি ওমরাহ পালন করার সওয়াব দান করা হবে। (শুয়াবুল ঈমান, হাদিস : ৩৬৮০)


আরআই/টিকে

মন্তব্য করুন