© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ঘুমের কারণে শবে কদরে ইবাদতে ব্যাঘাত ঘটলে কী করবেন?

শেয়ার করুন:
ঘুমের কারণে শবে কদরে ইবাদতে ব্যাঘাত ঘটলে কী করবেন?

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৭:৪১ পিএম | ১৬ মার্চ, ২০২৬
রমজানের শেষ দশ রাত বছরের অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে আলাদা। পবিত্র কোরআনে হাজার মাসের চেয়েও উত্তম হিসেবে বর্ণিত হয়েছে ‘লাইলাতুল কদর’ বা মহিমান্বিত শবে কদর। এই রাতের সওয়াব ও ফজিলত লাভে মুখিয়ে থাকেন বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মুসলিম। সারা জীবনের ইবাদতের সমান সওয়াব লাভের আশায় অনেকেই রাতভর ক্লান্তিহীন ইবাদত করেন।

আধ্যাত্মিক এই আনন্দ যতটা গভীর, শারীরিক ধকলও ততটাই চ্যালেঞ্জিং। অপর্যাপ্ত ঘুমের কারণে দিনের বেলা শরীরে যে ক্লান্তি ও অবসাদ ভর করে, তা কাটিয়ে শবে কদরে ইবাদত করার ও সতেজ থাকার কিছু সহজ ও কার্যকর উপায় তুলে ধরা হলো-

অল্প সময়ের ঘুমকেও গুরুত্ব দিন

সেহরির পর থেকে ফজরের আগ পর্যন্ত এবং ফজরের পর কর্মদিবস শুরুর আগের সময়টুকু অত্যন্ত মূল্যবান। এই সময়টুকু যেন শুধু বিছানায় শুয়ে থাকা না হয়, বরং তা যেন হয় পরিকল্পিত বিশ্রাম। সেহরির সময় ও পরে ফোন দেখা থেকে বিরত থাকুন। স্ক্রিনের আলো মস্তিষ্ককে সজাগ করে তোলে, যা পরে ঘুমানো কঠিন করে দেয়। খাওয়ার পর শরীরকে শিথিল করতে কয়েক মিনিট গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করতে পারেন।

ঘুমানোর সময় যদি মাথায় দুশ্চিন্তা ভর করে, তবে সন্ধ্যার দিকেই জরুরি কাজ বা উদ্বেগগুলো কাগজে লিখে রাখুন। এতে মস্তিষ্ক শান্ত থাকে এবং মাঝরাতে নতুন করে কোনো বিষয় প্রক্রিয়াজাত করার প্রয়োজন বোধ করে না।

স্বল্পস্থায়ী ঘুম

দিনের বেলা মাত্র ২০ মিনিটের ঘুম আপনার শরীরে নতুন শক্তি জোগাতে পারে। কাজের ফাঁকে বা দুপুরে অল্প সময়ের এই বিশ্রাম আপনাকে বিকেলের ক্লান্তি থেকে মুক্তি দেবে এবং পরবর্তী রাতের ইবাদতের জন্য শরীরকে প্রস্তুত করবে।

খাবার ও পানীয় নির্বাচনে সতর্কতা

পুষ্টিকর ও সুষম খাবার সারা দিন শরীরে শক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করে। অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত বা প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলুন, কারণ এগুলো শরীরে দ্রুত ক্লান্তি নিয়ে আসে। সেহরিতে ক্যাফেইন জাতীয় পানীয় কমিয়ে দিন এবং ঘুমানোর ঠিক আগমুহূর্তে অতিরিক্ত পানি খাবেন না, যাতে ঘুমের ব্যাঘাত না ঘটে।

রোদে সময় কাটানো

দিনের বেলা অন্তত কিছুক্ষণ রোদে কাটানোর চেষ্টা করুন। এটি আপনার মেজাজ ভালো রাখতে এবং মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করবে। এছাড়া হালকা হাঁটাহাঁটি করলে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে এবং মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। তবে এই সময়ে খুব ভারী ব্যায়াম না করাই ভালো, কারণ তাতে শরীর আরও অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়তে পারে।

আরআই/টিকে

মন্তব্য করুন