© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

রক এ্যান্ড রোল'র জনক চাক বেরি'র ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী

শেয়ার করুন:
রক এ্যান্ড রোল'র জনক চাক বেরি'র ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৫:৩৮ পিএম | ১৮ মার্চ, ২০২৬
রক সংগীতের ইতিহাসে আজও অবিচ্ছেদ্য এক নাম চাক বেরি। পূর্ণ নাম চার্লস এডওয়ার্ড অ্যান্ডারসন বেরি হলেও বিশ্বজুড়ে তিনি পরিচিত চাক বেরি নামেই। মার্কিন এই শিল্পীকে আধুনিক রক অ্যান্ড রোল ধারার অন্যতম প্রধান পথিকৃৎ হিসেবে ধরা হয়, কারণ তাঁর হাত ধরেই তাল, গিটার এবং তরুণ প্রজন্মের জীবনবোধ এক নতুন সংগীতভাষা পেয়েছিল।

উনিশশো পঞ্চান্ন সালে প্রকাশিত ‘মেবিলিন’ তাঁকে প্রথম বড় পরিচিতি এনে দেয়। এর পর একে একে আসে ‘রোল ওভার বিঠোফেন’ (১৯৫৬),‘রক এ্যান্ড রোল মিউজিক’ (১৯৫৭) এবং ‘জনি বি. গুড’ (১৯৫৮) এযে গানগুলো শুধু জনপ্রিয়তাই পায়নি, বরং নতুন ধারার সংগীতচর্চার ভিত্তিও গড়ে দেয়। সে সময় তালনির্ভর কৃষ্ণাঙ্গ সংগীতধারা থেকে উঠে আসা সুরকে তিনি এমনভাবে বিন্যস্ত করেন, যাতে তা তরুণ শ্রোতাদের কাছে আরও সহজে পৌঁছে যায়।

বিশেষ করে রিদম অ্যান্ড ব্লুজ ধারাকে নতুন আঙ্গিকে উপস্থাপন করার কৃতিত্ব তাঁর নামের সঙ্গেই জড়িয়ে আছে। গানের ভেতরে দ্রুত গতি, স্পষ্ট উচ্চারণ, তীক্ষ্ণ গিটার ধ্বনি এবং একক গিটার পরিবেশনার ব্যবহার তখনকার সংগীতে নতুন মাত্রা যোগ করে। পরে এই ধারা থেকেই রক অ্যান্ড রোল আলাদা শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়।



চাক বেরির গানে কিশোর বয়স, স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা, ব্যক্তিগত স্বপ্ন আর সামাজিক পরিবর্তনের সুর বারবার উঠে এসেছে। সেই কারণেই তাঁর গান শুধু নাচের মঞ্চে নয়, সময়ের মানসিকতাকেও ধারণ করেছে। গিটারের ছোট ছোট একক অংশ, যা পরে রক সংগীতের অপরিহার্য বৈশিষ্ট্য হয়ে ওঠে, সেটিও জনপ্রিয় করেন তিনিই।

পরবর্তী প্রজন্মের অসংখ্য শিল্পী তাঁকে অনুসরণ করেছেন। তাঁর তৈরি ভঙ্গি, মঞ্চে উপস্থিতি এবং সুরের বিন্যাস পরবর্তীকালে রক সংগীতের ভাষা নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখে। তাই সংগীতের ইতিহাসে চাক বেরি শুধু একজন গায়ক নন, বরং এক নতুন ধারার নির্মাতা হিসেবেই স্মরণীয়।

পিআর/টিকে

মন্তব্য করুন