© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরাইলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

শেয়ার করুন:
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরাইলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১১:২০ এএম | ২৩ মার্চ, ২০২৬
ইসরাইলের বিভিন্ন এলাকায় ইরানের সবশেষ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। জেরুজালেম ও মধ্য ইসরাইলসহ দক্ষিণ ইসরাইলের একাধিক স্থানে সরাসরি আঘাত হেনেছে ইরানের ক্লাস্টার ক্ষেপণাস্ত্র।

টাইমস অব ইসরাইলের প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় রোববার (২২ মার্চ) রাতে ইসরাইলের অন্তত আটটি স্থানে ক্লাস্টার ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ বা বিস্ফোরক পড়ে ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব ক্ষয়ক্ষতির ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।

এর আগে উত্তর ইসরাইলের অনেক এলাকায় সতর্ক সাইরেন বাজানো হলেও পরে তা তুলে নেয়া হয়। সেখানকার মানুষকে শেল্টার থেকে বেরিয়ে আসার অনুমতি দেয়া হয়েছে।

শনিবার রাত থেকে ইসরাইলে হামলার জোরদার করেছে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী। সবশেষ হামলায় অনেক জায়গায় ক্ষয়ক্ষতি হলেও তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

এদিকে ইরানের হামলার পর দেশটিতে নতুন করে সরকারি অবকাঠামো লক্ষ্য করে ব্যাপক হামলা শুরু করেছে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী।

এরইমধ্যে তেহরানজুড়ে শক্তিশালী বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।

তেহরান থেকে আল জাজিরা আরবির সংবাদদাতা সুহাইব আল-আসা জানিয়েছেন, রাজধানীর পূর্বাঞ্চলে বড় ধরনের বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে না দিলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র নিশ্চিহ্ন করে দেয়ার যে হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প, তার পাল্টা হুমকি এসেছে তেহরানের পক্ষ থেকেও।

স্থানীয় সময় রোববার ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেন, ইরানের অবকাঠামোতে হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি স্থাপনাগুলো গুঁড়িয়ে দেয়া হবে। প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ হিসেবে বাড়িয়ে দেয়া হবে তেলের দামও।

এছাড়া রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেয়া ভাষণে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দিয়ে সম্ভাব্য পদক্ষেপের তালিকা প্রকাশ করেন ইরানি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাগারি। তিনি বলেন, তাদের বিদ্যুৎ-জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা হলে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হবে হরমুজ প্রণালি।

পাল্টা লক্ষ্যবস্তু হবে ইসরাইলের বিদ্যুৎকেন্দ্র, জ্বালানি ও তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামো।

এমআর/এসএন 

মন্তব্য করুন