নোয়াখালীতে ছুটি শেষে অফিসে এসে কর্মচারীদের সতর্ক করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক
ছবি: সংগৃহীত
০১:০৫ পিএম | ২৪ মার্চ, ২০২৬
ঈদের পর প্রথম কর্মদিবসেই অফিসে নির্ধারিত সময়ের আগেই উপস্থিত হয়ে শৃঙ্খলার বার্তা দিলেন নোয়াখালী জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক মো. হারুনুর রশিদ আজাদ।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকাল ৮টা ৫২ মিনিটে জেলা পরিষদ কার্যালয়ে প্রবেশ করেন তিনি। এ সময় অফিস সময় সকাল ৯টার মধ্যে উপস্থিত না হওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ডেকে সতর্ক করেন প্রশাসক।
অফিসে প্রবেশের পর তিনি বিভিন্ন কক্ষ পরিদর্শন করেন এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি অফিসের সুযোগ-সুবিধা ও বিদ্যমান সমস্যার বিষয়ে অবগত হন।
যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী সকাল ৯টার পর অফিসে এসেছেন, তাদের ডেকে কারণ জানতে চান এবং প্রথমবারের মতো সতর্কবার্তা দেন। ভবিষ্যতে এ ধরনের গাফিলতি হলে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। প্রথম কর্মদিবসের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে মো. হারুনুর রশিদ আজাদ বলেন, তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আদর্শ অনুসরণ করে রাষ্ট্রের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে কাজ করতে চান। দায়িত্ব পালনে তিনি শ্রম ও মেধার সর্বোচ্চ প্রয়োগ করবেন বলেও উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, নোয়াখালীর স্থানীয় সংসদ সদস্যদেরসহ জেলার সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা নিয়ে তিনি তার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে আশাবাদী।
এর আগে, ১৬ মার্চ দুপুর ২টায় তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে নোয়াখালী জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তারও আগে রোববার জারি করা এক সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। একই প্রজ্ঞাপনে দেশের ৪২টি জেলায় জেলা পরিষদের প্রশাসক নিয়োগের ঘোষণা দেওয়া হয়। দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শাহজাহান, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো এবং জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ হুমায়ন রশিদসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সরকারি কর্মকর্তারা। এ সময় তারা নবনিযুক্ত প্রশাসককে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
দায়িত্ব গ্রহণকালে মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করে তাকে এ দায়িত্ব দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে হারুনুর রশিদ আজাদ বলেন, তৃণমূল থেকে উঠে আসা একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে তিনি অতীত অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে জেলা পরিষদকে আরও কার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে চান।
তিনি আরও জানান, জেলা পরিষদ স্থানীয় সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে এবং উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে তিনি আন্তরিকভাবে কাজ করবেন এবং এ জন্য সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
ইউটি/টিএ