শুটিংয়ের পর নায়ক-নায়িকাদের পোশাক কী করা হয়?
ছবি: সংগৃহীত
০৪:৪৬ পিএম | ২৫ মার্চ, ২০২৬
বলিউড সিনেমায় তারকাদের পোশাক দেখে অনেকেই মুগ্ধ হন। সাধারণ দৃশ্য থেকে শুরু করে বিশেষ গান পর্যন্ত, তারকাদের পোশাক যত্নসহকারে ডিজাইন করা হয়। প্রায়শই তাদের পোশাক নতুন ট্রেন্ড তৈরি করে এবং অন্যরা তা অনুকরণ করে থাকেন। কিন্তু আপনি কখনো ভেবে দেখেছেন যে, সিনেমার পর তাদের পোশাকগুলোর কী করা হয়?
চলুন জেনে নেওয়া যাক, তারকাদের পোশাক কী ব্যবস্থা করা হয়—
প্রযোজনা সংস্থাগুলো অভিনেতা-অভিনেত্রীদের সাজসজ্জার পেছনে প্রচুর অর্থ ব্যয় করে থাকে। কখনো কখনো শুটিং শেষ হয়ে গেলে পোশাকগুলো কেবল বাক্সে ভরে রাখা হয়। এরপর সেগুলো অন্য কোনো সিনেমায় নতুন নকশা ও আঙ্গিকে পুনরায় ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
প্রখ্যাত স্টাইলিস্ট ও কস্টিউম ডিজাইনার অক্ষয় ত্যাগী বলেন, এই পোশাকগুলো সাধারণত পুনঃব্যবহার এবং নতুন লুক তৈরির জন্য ইনভেন্টরিতে সংরক্ষণ করা হয়। এগুলো হয়তো প্রধান চরিত্রে ব্যবহার করা হয় না, কিন্তু ভিড়ের দৃশ্যে ব্যবহার করা যেতে পারে।

যশ রাজ ফিল্মসের কস্টিউম ডিজাইনার আয়েশা খান্না সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, 'কাজরা রে' গানে ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন যে পোশাকটি পরেছিলেন, সেটিই 'ব্যান্ড বাজা বারাত' সিনেমায় একজন ব্যাকগ্রাউন্ড ড্যান্সারও পরেছিলেন। পোশাক দুটি মিলিয়ে-মিশিয়ে পরা হয়েছিল, তাই কারও নজরে পড়েনি।
কিছু তারকাকে স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে কয়েকটি পোশাক বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। কিছু তারকা এটি স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে রেখে দেন। ডিজাইনার অক্ষয় বলেছিলেন— অভিনেত্রী দীপিকা পাডুকোন 'ইয়ে জাওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি' সিনেমায় তার চরিত্র নয়নার চশমা রেখে দিয়েছিলেন। অভিনেতা ঋষি কাপুরও শুটিংয়ের পর তার অনেক চরিত্রের সোয়েটার সংগ্রহ করতেন।
অনেক বিখ্যাত ডিজাইনারও স্মৃতি হিসেবে নিজেদের ডিজাইন করা পোশাক নিজের কাছে রেখে দেন। দাতব্য উদ্দেশ্যে অনেক পোশাক নিলামে তোলা হয়। আবার 'জিনে কে হ্যায় চার দিন' গানে সালমান খানের ব্যবহৃত তেল নিলামে ১.৪২ লাখ রুপিতে বিক্রি করা হয়েছিল। তবে সেই টাকা দাতব্য প্রতিষ্ঠানে দান করা হয়েছিল। 'রোবট' সিনেমায় ব্যবহৃত ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ও রজনীকান্তের পোশাকও নিলামে তোলা হয়েছিল এবং সেই অর্থও দাতব্য প্রতিষ্ঠানে দান করা হয়েছিল।
এসএন