© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ধর্মীয় বিতর্কে নতুন চাপে ‘ধুরন্ধর ২’!

শেয়ার করুন:
ধর্মীয় বিতর্কে নতুন চাপে ‘ধুরন্ধর ২’!

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৫:১২ পিএম | ২৬ মার্চ, ২০২৬
মুক্তির আগেই নতুন বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছে ‘ধুরন্ধর ২’। কয়েক দিন ধরেই ছবিটি ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে নানা আলোচনা চলছিল, তবে এবার সরাসরি ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ উঠে বিষয়টি আরও সংবেদনশীল মোড় নিয়েছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন পরিচালক আদিত্য ধর, অভিনেতা রণবীর সিং এবং আর মাধবন।

মহারাষ্ট্রভিত্তিক শিখ সংগঠনের এক সদস্য গুরজ্যোত সিং খের পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করে দাবি করেছেন, ছবির একটি দৃশ্যে পবিত্র গুরবাণী শোনা যাওয়ার সময় মাধবনকে ধূমপান করতে দেখা গেছে। তাঁর বক্তব্য, এমন উপস্থাপনা শিখ ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত হানতে পারে। অভিযোগপত্রে সংশ্লিষ্ট শিল্পী ও পরিচালকের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার দাবিও জানানো হয়েছে।

বিতর্ক ছড়িয়ে পড়তেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন মাধবন। একটি ভিডিও বার্তায় তিনি জানান, দৃশ্যটির শুটিংয়ের সময় পরিচালক অত্যন্ত সতর্ক ছিলেন এবং সংলাপ বলার আগেই তিনি সিগারেট নিভিয়ে ফেলেছিলেন। তাঁর দাবি, দৃশ্যটি মনোযোগ দিয়ে দেখলে বোঝা যাবে, সংলাপের সময় তাঁর মুখ দিয়ে ধোঁয়া বের হয়নি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, শিখ সম্প্রদায়ের প্রতি তাঁর ব্যক্তিগত শ্রদ্ধা বরাবরই রয়েছে এবং নতুন কোনও ছবি মুক্তির আগে তিনি নিজে স্বর্ণমন্দিরে গিয়ে আশীর্বাদ নেন।



প্রথম অভিযোগের উত্তাপ কিছুটা কমতে না কমতেই নতুন করে সামনে আসে আরেকটি দৃশ্য। ছবির শেষভাগে রণবীর সিংকে পাগড়ি পরে বাড়ি ফিরতে দেখা যায়সেই দৃশ্যের একটি পরিবর্তিত অংশ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে দাবি করা হয়, তিনি পাগড়ি পরে ধূমপান করছেন। এই দৃশ্য ঘিরেও শুরু হয় প্রশ্ন, আর সেখানেই তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান পরিচালক আদিত্য ধর।

আদিত্যর বক্তব্য, ছবিতে এমন কোনও দৃশ্য নেই; বরং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে ভিডিওটি বদলে সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, একটি গোষ্ঠী ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্তিকর দৃশ্য তৈরি করে ছবিকে ঘিরে ভুল ধারণা ছড়ানোর চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, শিখ সম্প্রদায়ের প্রতি তাঁর গভীর সম্মান রয়েছে এবং ছবির প্রতিটি সংবেদনশীল দৃশ্য অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে নির্মাণ করা হয়েছে।

পরিচালক আরও অনুরোধ জানিয়েছেন, সামাজিক মাধ্যমে ঘুরে বেড়ানো পরিবর্তিত ভিডিওর বদলে দর্শক যেন প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে আসল ছবি দেখেই মত গঠন করেন। তাঁর মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি বিভ্রান্তিকর উপাদান এখন বড় ধরনের সমস্যা হয়ে উঠছে, যা একটি ছবির ভাবমূর্তি এবং শিল্পীদের অবস্থান দুটোকেই প্রশ্নের মুখে ফেলতে পারে।

পিআর/এসএন

মন্তব্য করুন