জুড়ী-বড়লেখায় সুপেয় পানি ও স্যানিটেশনে বিশেষ বরাদ্দের পরিকল্পনা নেই: মির্জা ফখরুল
ছবি: সংগৃহীত
০৪:৫৯ পিএম | ২৯ মার্চ, ২০২৬
মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী ও বড়লেখা উপজেলার প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য সুপেয় পানি ও স্যানিটেশন ব্যবস্থায় বর্তমানে কোনো ‘বিশেষ বরাদ্দ’ দেওয়ার পরিকল্পনা নেই সরকারের। তবে স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের একাধিক চলমান ও সমাপ্ত প্রকল্পের মাধ্যমে এই এলাকার মানুষ সুপেয় পানি ও উন্নত স্যানিটেশন সুবিধার আওতায় আসছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কথা বলেন।
শনিবার (২৮ মার্চ) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে মৌলভীবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য নাসির উদ্দিন আহমেদের এক প্রশ্নের লিখিত প্রশ্নের উত্তরে এ তথ্য জানান মন্ত্রী।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী জানান, মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় নিরাপদ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়ন শীর্ষক একটি প্রকল্প গত ডিসেম্বর ২০২৫-এ সমাপ্ত হয়েছে। এই প্রকল্পের অধীনে যেসব অবকাঠামো নির্মিত হয়েছে তারমধ্যে হচ্ছে, ৫০০টি সাব-মার্সিবল পাম্প ও জলাধারসহ গভীর নলকূপ, ১০০টি রিংওয়েল, ৩২টি কমিউনিটি ভিত্তিক ইউনিট পানি সরবরাহ ইউনিট, ৫২৫টি অফসেট টুইনপিট হাউজহোল্ড ল্যাট্রিন, ১৬টি পাবলিক টয়লেট এবং ৩২টি কমিউনিটি ল্যাট্রিন।
তিনি আরও জানান, সমগ্র দেশে নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্প (২০২০-২০২৬) এর আওতায় বিগত ৬ অর্থ-বছরে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় ব্যাপক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বিগত ছয় অর্থবছরে জুড়ী উপজেলায় ৮৩৭টি গভীর নলকূপ, ১টি গ্রামীণ পাইপড ওয়াটার সাপ্লাই স্কীম ও ১৮টি কমিউনিটি ভিত্তিক পানি সরবরাহ ইউনিট এবং বড়লেখা উপজেলায় ১ হাজার ৪১০টি গভীর নলকূপ, ১টি গ্রামীণ পাইপড ওয়াটার সাপ্লাই স্কীম ও ১৮টি কমিউনিটিভিত্তি পানি সরবরাহ ইউনিট বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, ‘গ্রামীণ স্যানিটেশন প্রকল্প’-এর আওতায় দুই উপজেলায় স্বাস্থ্যসম্মত ল্যাট্রিন বিতরণ করা হয়েছে। জুড়ী উপজেলায় ৩০০টি এবং বড়লেখা উপজেলায় ৫০০টি ইম্প্রুভড টুইন পিট ল্যাট্রিন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে উভয় উপজেলায় ৪টি করে কমিউনিটি টয়লেট নির্মাণ করা হয়েছে। এই প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে ওই অঞ্চলের প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সুপেয় পানির সংকট নিরসন এবং স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে। বিশেষ কোনো নতুন বরাদ্দের পরিকল্পনা না থাকলেও বিদ্যমান প্রকল্পের সুফল ইতোমধ্যেই জনগণ পেতে শুরু করেছে।
এমআর/টিএ