© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ধর্মীয় বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যুদ্ধ দিয়ে ‘শেষ জামানায়' ঢুকে গেছে বিশ্ব

শেয়ার করুন:
ধর্মীয় বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যুদ্ধ দিয়ে ‘শেষ জামানায়' ঢুকে গেছে বিশ্ব

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৯:১১ এএম | ৩১ মার্চ, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ শেষ ৪ দিনে যেন নতুন মাত্রা পেয়েছে। যুদ্ধ আরও তীব্র হওয়া, সঙ্গে সঙ্গে পারমাণবিক হামলার শঙ্কাও ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বে। কিছু বাইবেল গবেষক ও খ্রিস্টান ভাষ্যকার বলছেন, প্রাচীন ধর্মগ্রন্থের ভবিষ্যদ্বাণী হয়তো এখন সত্যি হচ্ছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর একাধিক ধর্মীয় বিশ্লেষক বাইবেলের বিভিন্ন অংশের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। ম্যাথু ২৪:৬-৭ অনুচ্ছেদে যিশুর উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, ‘তোমরা যুদ্ধ ও যুদ্ধের গুজব শুনবে, কিন্তু ভয় পেয়ো না। এসব ঘটতেই হবে, তবে শেষ এখনো আসেনি। জাতির বিরুদ্ধে জাতি এবং রাজ্যের বিরুদ্ধে রাজ্য উঠবে।’

ইজেকিয়েল ৩৮:৫ অনুচ্ছেদেও ‘পারস্যে’র উল্লেখ রয়েছে, যা আধুনিক ইরানের প্রাচীন নাম হিসেবে ধরা হয়। এই অনুচ্ছেদে বলা আছে, ‘পারস্য, কুশ ও পুট সবাই ঢাল ও শিরস্ত্রাণ নিয়ে থাকবে।’ ধর্মীয় বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ভবিষ্যদ্বাণী ‘শেষ জমানায়’ ইসরাইলের বিরুদ্ধে একটি জোট গঠনের কথা বলছে।

১৬ লাখেরও বেশি ইউটিউব গ্রাহকের ‘লিভিং ওয়াটার্স’ পডকাস্টের বাইবেল গবেষকরা গত বছরের জুনে দুটি ভবিষ্যদ্বাণী পূরণ হওয়ার সতর্কতা দিয়েছিলেন। প্রথমটি হলো থেসালোনিকীয় ৫:৩-এ প্রেরিত পল লিখেছেন, ‘যখন মানুষ বলছে শান্তি ও নিরাপত্তা, তখনই হঠাৎ বিনাশ আসবে।’ দ্বিতীয়টি হলো ইশাইয়ার ভবিষ্যদ্বাণী, ‘দামেস্ক আর শহর থাকবে না, ধ্বংসস্তূপে পরিণত হবে।’

গবেষকরা উল্লেখ করেছেন, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় বোমা হামলার পর ট্রাম্প ‘এখনই শান্তির সময়’ বলে পোস্ট দিয়েছিলেন। একই সময়ে দামেস্কের একটি গির্জায় আত্মঘাতী বোমা হামলায় ২২ জন নিহত ও ৬৩ জন আহত হয়েছেন। তারা বলছেন, এই দুটি ঘটনা একই দিনে ঘটায় ভবিষ্যদ্বাণীর সঙ্গে মিল দেখছেন তারা।

বিশ্লেষকরা বলেছেন, ‘বিশ্বে শান্তির আহ্বান অনেকের কাছে শেষ দিনের ভবিষ্যদ্বাণীর চিহ্ন হিসেবে বিবেচিত।’ তারা আরও সতর্ক করেছেন, বৈশ্বিক অস্থিরতা যখন ক্রমেই বেড়ে চলেছে, তখন এই ‘শান্তির’ নতুন ডাকে অনেকে মিথ্যা নিরাপত্তাবোধ পেয়ে বসতে পারে মানুষকে, অথচ পরিস্থিতি বলছে সম্পূর্ণ উলটো কথা।

তবে উল্লেখ্য, এসব ভবিষ্যদ্বাণীর ব্যাখ্যা ধর্মীয় বিশ্লেষকদের নিজস্ব মতামত। বেশিরভাগ ধর্মতাত্ত্বিক ঐতিহাসিকভাবেই এই ধরনের ব্যাখ্যার বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করেন।

সূত্র: ডেইলি মেইল

এসকে/এসএন

মন্তব্য করুন