সুনামগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ২ হাজার ৮০ লিটার ডিজেল জব্দ
ছবি: সংগৃহীত
০৩:৪০ এএম | ০২ এপ্রিল, ২০২৬
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত অবৈধভাবে মজুদ করা ২ হাজার ৮০ লিটার ডিজেল জব্দ করেছে জেলা প্রশাসন ও বিজিবির টাস্কর্ফোস।
০১ এপ্রিল বুধবার বিকেলে জামালগঞ্জের সাচনা বাজারের যমুনা অয়েল কোম্পানীর বার্জ ডিপোর কাছাকাছি সাচনা বাজার মাদ্রাসা সংলগ্ন নবী হোসেন নামের এক ব্যবসায়ীর বাসার নিচ থেকে জব্দ করা হয়েছে এই ডিজেল।
তবে ডিজেল মজুতের ঘটনায় জড়িত নবী হোসেনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা না দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন স্থানীয়রা। নবী হোসেন জামালগঞ্জ উত্তর ইউনিয়নের উত্তর কামলাবাজ গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
জানা গেছে,, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিজেল মজুতের খবর পেয়ে আজ বুধবার বিকেলে জামালগঞ্জ উপজেলার সাচনা বাজারে অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসন ও বিজিবির টাস্কর্ফোস। এসময় সাচনা বাজার যমুনা অয়েল কোম্পানীর বার্জ ডিপোর কাছাকাছি সাচনা বাজারে নবী হোসেনের বাসার নীচতলা থেকে অভিযান চালিয়ে ২০০ লিটারের ১০ টি ড্রাম ও খোলা ড্রামে ৮০ লিটারসহ মোট ২ হাজার ৮০ লিটার ডিজেল জব্দ জব্দ করা হয়।
এছাড়া ডিজেলের ৩ টি খালি ড্রামও জব্দ করা হয়। এরপর জব্দকৃত ডিজেলের খালি ড্রাম ও ডিজেল সাচনা বাজার যমুনা অয়েল কোম্পানী বার্জ ডিপোর দায়িত্বে থাকা মো. শাহজালালের জিম্মায় রাখা হয়।
টাস্কর্ফোসের এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেট সাকিবুর রহমান। এসময় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)ও পুলিশ উপস্থিত ছিল।
টাস্কর্ফোসের নেতৃত্ব দেওয়া জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাকিবুর রহমান দেশের একটি গণমাধ্যমকে জানান, সারা দেশে জ্বালানি তেলের চাহিদা স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে অভিযান চলছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাচনাবজারে অবৈধভাবে মজুদ করা ডিজেল জব্দ করা হয়েছে। তবে ঘটনাস্থলে কেউ না থাকায় ডিজেল মজুতকারীকে আটক করা যায়নি। জব্দকৃত ডিজেল সাচনা বাজার যমুনা অয়েল কোম্পানী বার্জ ডিপোর দায়িত্বে থাকা ব্যক্তির জিম্মায় রাখা হয়েছে।
বিজিবির সুনামগঞ্জ ২৮ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল এ কে এম জাকারিয়া কাদির দেশের একটি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সাচনাবাজার থেকে অবৈধভাবে মজুদ করা বিপুল পরিমান ডিজেল জব্দ করা হয়েছে। এসব ডিজেলের বিষয়ে পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অবৈধভাবে জ্বালানি তেল পাচার ও মজুত রোধে বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এছাড়া সীমান্তে চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির নজরদারি অব্যাহত আছে।
এসকে/টিএ