© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

সৌদির ইতিহাসে প্রথম মক্কায় নির্মাণ করা হবে এয়ারপোর্ট

শেয়ার করুন:
সৌদির ইতিহাসে প্রথম মক্কায় নির্মাণ করা হবে এয়ারপোর্ট

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১১:৪২ এএম | ০৩ এপ্রিল, ২০২৬
পরিবহন অবকাঠামো উন্নয়নে মক্কায় নতুন বিমানবন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন দিয়েছে সৌদি সরকার।

হজ ও ওমরাহ পালন করতে আসা লাখো মানুষের যাতায়াত সহজ করতে মক্কায় বিমানবন্দর মক্কা শহর বিষয়ক রাজকীয় কমিশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সালেহ আল-রশিদ লক্ষ লক্ষ দর্শনার্থীকে সেবা দেয়ার লক্ষ্যে মক্কা বিমানবন্দরকে বৈশ্বিক মানের করে তোলার জন্য অর্থনৈতিক বিনিয়োগের দিকনির্দেশনার অনুমোদন হয়েছে।

পার্শ্ববর্তী শহরগুলোতে বিমান বন্দরের প্রভাবিত না করে উপযুক্ত বিনিয়োগ মডেল তৈরি করতে বেসরকারি খাতের সাথে কাজ করবে।

আবাসন, অবকাঠামো জনসেবা প্রকল্পের মাধ্যমে বাসিন্দা ও দর্শনার্থীদের জন্য পরিষেবা এবং সামগ্রিক অভিজ্ঞতা উন্নত করার রূপরেখা থাকবে। চাহিদার সাথে সামঞ্জস্য নিশ্চিত করা হবে। কর্মক্ষমতার লক্ষ্যমাত্রাগুলো তুলে ধরেন।

যার মধ্যে রয়েছে বাসিন্দা ও দর্শনার্থীদের সন্তুষ্টির মাত্রা ৯০.৫%-এ উন্নীত করা। এই উদ্যোগগুলোর মধ্যে রয়েছে “স্মার্ট মক্কা” কর্মসূচি, গ্র্যান্ড মসজিদএর আশেপাশের এলাকা চলাচল পর্যবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার।

পরিবহন ব্যবস্থার উন্নতির কথাও উল্লেখ করেছেন। যার মধ্যে রয়েছে টান্সপোর্ট সিস্টেমের অগ্রগতি। পাশাপাশি ‘মক্কা ট্যাক্সি’ চালু করা হয়েছে, যেখানে ট্র্যাকিং সিস্টেম ও ইলেকট্রনিক পেমেন্টের সুবিধাসহ আধুনিক যানবাহন। মক্কা বাস নেটওয়ার্ক বর্তমানে ১২টি রুটে ৪০০টি বাস পরিচালনা করা হয়। বেশিরভাগ এলাকাকে অন্তর্ভুক্ত করে চারটি প্রধান স্টেশন ছাড়াও ৪৩০টি স্টপে পরিষেবা দেয়া হয়।

অবকাঠামো পর্যায়ে, প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় রিং রোডের প্রধান অংশ নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে এগুলোকে গ্র্যান্ড মসজিদ ও পবিত্র স্থানগুলোর দিকে যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ রুটগুলোর সাথে সংযুক্ত করা হয়েছে।

কিং আব্দুল আজিজ রোড এবং ইব্রাহিম আল-খলিল রোড অন্তর্ভুক্ত। এর পাশাপাশি শহরের প্রবেশপথগুলোরও আধুনিকায়ন করা হয়েছে।

আল-রশিদ উল্লেখ করেন পরিচালনা দক্ষতা বৃদ্ধি হজের সময় দায়িত্ব নিশ্চিত করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে গ্র্যান্ড মসজিদের চারপাশে ৬০টি রক্ষণাবেক্ষণ ভবন এবং ৩২টি বৈদ্যুতিক এসকেলেটরসহ পরিষেবা সুবিধাগুলো সম্প্রসারিত করা হয়েছে।

উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর মধ্যে আরও রয়েছে আরাফাতের ময়দানে প্রায় ১ লাখ ৯০ হাজার বর্গমিটার এলাকা জুড়ে আটটি স্থানের উন্নয়ন, ৩৩, হাজার বর্গমিটার জুড়ে দ্বিতীয় তলা তাঁবু স্থাপন, ২৭ হাজার হজযাত্রীর ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ১০টি আবাসিক টাওয়ার নির্মাণ, মিনায় ২০০ শয্যার হাসপাতাল তৈরি করা হবে।

এসএন 

মন্তব্য করুন