© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

২০টি ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েও কেন টাকা ফেরান দিব্যা দত্ত?

শেয়ার করুন:
২০টি ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েও কেন টাকা ফেরান দিব্যা দত্ত?

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০১:২৮ পিএম | ০৩ এপ্রিল, ২০২৬
কিশোরী বয়সে অভিনয় দুনিয়ায় পা রাখেন প্রতিভাবান অভিনেত্রী দিব্যা দত্ত। একসময় কাজের অভাবে হতাশা, আবার হুট করেই একসঙ্গে ২০টি ছবিতে সই ক্যারিয়ারের এমন টানাপোড়েনের মাঝেই এক গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ বদলে দেয় তার জীবন। আর সেই পরামর্শদাতা ছিলেন প্রযোজক-পরিচালক আদিত্য চোপড়া।

মাত্র ১৬ বছর বয়সে ‘ইশক মে জিনা ইশক মে মারনা’ ছবি দিয়ে অভিনয়ে পা রাখেন দিব্যা দত্ত। পরে ১৯৯৯ সালে পাঞ্জাবি ছবি ‘শহীদ-এ-মোহাব্বত বুটা সিং’ তাকে পরিচিতি এনে দেয়। তবে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ পাওয়া সহজ ছিল না বলে জানান এই অভিনেত্রী।

তবে ‘বীর জারা’ ছবির সাফল্যের পর পরিস্থিতি বদলায় এবং দিব্যা প্রচুর ছবির প্রস্তাব পান। একসঙ্গে একাধিক ছবির প্রস্তাব পেয়ে উচ্ছ্বসিত দিব্যা তখন প্রায় ২০টি ছবিতে একসঙ্গে সই করে ফেলেন। কিন্তু সেই সময়েই আদিত্য চোপড়ার সঙ্গে একটি কথোপকথন তার ভাবনার মোড় ঘুরিয়ে দেয়।

এক সাক্ষাৎকারে দিব্যা তার ক্যারিয়ার এবং কেন তিনি এখন পরিমাণের চেয়ে গুণগত মানকে বেশি গুরুত্ব দেন, তা নিয়ে কথা বলেন।



২০০৭ সালের কথা স্মরণ করে দিব্যা বলেন, ‘আমার মনে আছে আমি ২০টির বেশি ছবিতে কাজ নিয়েছিলাম কারণ এমন একটা সময় ছিল যখন আমার হাতে কাজ ছিল না। হঠাৎ, আমি এত প্রস্তাব পাই যে আমি সবগুলোই গ্রহণ করি।’

দিব্যা জানান, তিনি যখন আদিত্যকে এতগুলো ছবিতে সই করার কথা জানান, তখন আদিত্য তাকে পাল্টা প্রশ্ন করেন, তার কি সত্যিই এত কাজের প্রয়োজন, নাকি তিনি আর্থিক সমস্যায় আছেন? এই প্রশ্নই অভিনেত্রীর মনে গভীরভাবে নাড়া দেয়।

এরপর থেকেই বদলে যায় তার ক্যারিয়ারের গতিপথ। যেসব ছবির কাজ শুরু করেননি, সেগুলোর অগ্রিম পারিশ্রমিক ফিরিয়ে দেন তিনি। সেই মুহূর্ত থেকেই তিনি ঠিক করেন, সংখ্যার চেয়ে গুণগত কাজকেই বেশি গুরুত্ব দেবেন।

এই সিদ্ধান্তই পরবর্তীতে তার ক্যারিয়ারকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দেয়। ২০১৭ সালে ‘ইরাদা’ ছবির জন্য সহ-অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় পুরস্কার জেতেন তিনি। পাশাপাশি ‘ভাগ মিলকা ভাগ’, ‘বদলাপুর’, ‘ছাভা’র মতো সফল ছবিতেও নজর কাড়েন।

সম্প্রতি জিও হটস্টারে মুক্তি পেয়েছে দিব্যা দত্ত অভিনীত ওয়েব সিরিজ ‘চিরিয়া’, যেখানে তার অভিনয় আবারও প্রশংসিত হয়েছে।

কেএন/এসএন

মন্তব্য করুন