© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

পৃথিবীর কক্ষপথ ছেড়ে এখন চাঁদের পথে আর্টেমিস-২

শেয়ার করুন:
পৃথিবীর কক্ষপথ ছেড়ে এখন চাঁদের পথে আর্টেমিস-২

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১০:০৭ পিএম | ০৩ এপ্রিল, ২০২৬
উড্ডয়ন পর্ব সফলভাবে শেষ করে এখন মহাশূন্যে চন্দ্রাভিযানের পথে আর্টেমিস টু। চার নভোচারীকে নিয়ে ওরিয়ন ক্যাপসুলটি দ্রুতবেগে এগোচ্ছে চাঁদের দিকে। যার মূল লক্ষ্য সোমবারের মধ্যে চাঁদের কক্ষপথে পৌঁছানো।

আগামী ১০ দিনে মহাকাশযানটির কার্যক্ষমতা এবং নভোচারীদের টিকে থাকার নানা কারিগরি দিক নিবিড়ভাবে পরীক্ষা করা হবে। মহাকাশ গবেষণার নতুন এই ইতিহাস গড়তে পরবর্তী ধাপগুলোর দিকে এখন তাকিয়ে আছে পুরো বিশ্ব।

গত বুধবার (১ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল থেকে শক্তিশালী এস.এল.এস রকেটের পিঠে চেপে মহাকাশে উড়াল দেয় আর্টেমিস-২। অ্যাপোলো মিশন শেষ হওয়ার পর এই প্রথম কোনো মানববাহী মহাকাশযান চাঁদের অভিমুখে যাত্রা এটি।

ঐতিহাসিক এই অভিযানে অংশ নিয়েছেন চারজন অভিজ্ঞ নভোচারী। আন্তর্জাতিক এই দলটির মূল লক্ষ্য হলো ওরিয়ন ক্যাপসুলটি মানব বসবাসের জন্য কতটা উপযুক্ত, তা হাতে-কলমে পরীক্ষা করে দেখা।

মিশন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওরিয়ন ক্যাপসুলটি উৎক্ষেপণের ষষ্ঠ দিনে চাঁদের সবচেয়ে কাছে পৌঁছাবে। সরাসরি চাঁদে অবতরণ না করলেও এটি একটি ‘ফ্রি-রিটার্ন’ ট্রাজেক্টরি অনুসরণ করবে, যা চাঁদকে এক চক্কর দিয়ে প্রাকৃতিকভাবেই পৃথিবীর দিকে ফিরে আসতে সাহায্য করবে।

এই ১০ দিনের যাত্রায় নভোচারীরা মহাকাশযানের লাইফ সাপোর্ট সিস্টেম, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং গভীর মহাকাশে টিকে থাকার বিভিন্ন কারিগরি দিক পর্যবেক্ষণ করবেন। সবকিছু ঠিক থাকলে ১০ই এপ্রিল প্রশান্ত মহাসাগরে ল্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে শেষ হবে এই যাত্রা।

আর্টেমিস টু সফল হলে নাসা তাদের পরবর্তী বড় পদক্ষেপ 'আর্টেমিস থ্রি'র দিকে এগোবে, যা ২০২৭ সালে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। ওই মিশনে নভোচারীরা কক্ষপথে থাকা স্পেস-এক্স বা ব্লু অরিজিনের ল্যান্ডারের সাথে ডকিং করবেন।

মূলত ২০২৮ সালের 'আর্টেমিস ফোর' মিশনে মানুষকে আবারও চাঁদের বুকে সরাসরি নামানোর যে স্বপ্ন দেখছে নাসা, তার জন্য এই বর্তমান অভিযানটি একটি অগ্নিপরীক্ষা হিসেবে কাজ করছে।

তথ্যসূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।

এমআই/টিকে

মন্তব্য করুন