© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ঐশ্বরিয়ার সাফল্যে কেন হীনম্মন্যতায় ভোগেন না অভিষেক?

শেয়ার করুন:
ঐশ্বরিয়ার সাফল্যে কেন হীনম্মন্যতায় ভোগেন না অভিষেক?

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১২:১৩ এএম | ০৫ এপ্রিল, ২০২৬
বলিউড শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন এবং জয়া বচ্চনের সন্তান হিসেবে জন্ম থেকেই চরম উন্মাদনা আর তারকাখ্যাতি দেখে বড় হয়েছেন অভিষেক বচ্চন। পরবর্তীতে গ্লোবাল তারকা ঐশ্বরিয়া রাইয়ের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি।

ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই অভিষেকের তুলনায় খ্যাতির বিচারে যোজন যোজন এগিয়ে বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বরিয়া। তবে স্ত্রীর আকাশচুম্বী সাফল্য কখনোই বচ্চনপুত্রকে হীনম্মন্যতায় ফেলেনি।

সম্প্রতি লিলি সিং ও পিপিং মুন-এর সঙ্গে আলাপকালে নিজের পারিবারিক শিক্ষা এবং ব্যক্তিগত জীবন সহ নানা বিষয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন এই অভিনেতা।

অভিষেক জানান, সম্পর্কে সমতার বিষয়টি তিনি নিজের বাড়ি থেকেই শিখেছেন। তিনি স্মরণ করে বলেন, যখন তার বাবা-মা বিয়ে করেন, তখন তার মা জয়া বচ্চন বাবা অমিতাভ বচ্চনের চেয়ে অনেক বড় তারকা ছিলেন।

অভিষেকের কথায়, ‘আমি বাড়িতে এভাবেই বড় হয়েছি। আমার মা যখন বিয়ে করেন, তিনি ছিলেন অনেক বেশি জনপ্রিয়। তাই স্ত্রীর বেশি সাফল্য আমার কাছে অস্বাভাবিক কিছু নয়। আমাকে শেখানো হয়নি যে পুরুষ হিসেবে আমাকেই প্রভাবশালী হতে হবে; আমাদের পরিবারে সবসময় ‘পার্টনারশিপ’ বা অংশীদারিত্বের গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।’

বন্ধুত্বই সম্পর্কের মূল ভিত্তি
ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে সম্পর্কের রসায়ন নিয়ে অভিষেক জানান, বিয়ের অনেক আগে থেকেই তাদের মধ্যে গভীর বন্ধুত্ব ছিল। কর্মজীবনের শুরু থেকেই তারা একসঙ্গে কাজ করেছেন। তিনি জানান, ঐশ্বরিয়া এমন একজন অভিনেত্রী যার সঙ্গে তিনি সবচেয়ে বেশি কাজ করেছেন। প্রেমের সম্পর্কে জড়ানোর আগে তারা দীর্ঘ সময় স্রেফ ভালো বন্ধু ছিলেন।



সংসারের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কার ভূমিকা কী থাকে সে প্রসঙ্গে ‘ধুম’ খ্যাত এই অভিনেতা তাদের মধ্যে কোনো গৎবাঁধা নিয়ম নেই উল্লেখ করে বলেন, ‘কে অর্থ উপার্জন করবে আর কে ঘর সামলাবে—এসব নিয়ে আমাদের কোনো আলোচনারই প্রয়োজন হয় না, সবকিছু খুব স্বাভাবিকভাবেই চলে।’

এদিকে গত কয়েক বছরে অভিষেক ও ঐশ্বরিয়ার বৈবাহিক সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন চাউর হয়, বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন জনপ্রিয় এই দম্পতি। তবে সাম্প্রতিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাদের একসঙ্গে উপস্থিতি এবং ছুটির দিনে সপরিবারে ভ্রমণের খবর এই জল্পনায় রীতিমতো পানি ঢেলে দেয়।

মেয়ে আরাধ্যার ওপর এসব গুঞ্জনের প্রভাব নিয়ে অভিষেক বলেন, ১৪ বছর বয়সী আরাধ্যা যথেষ্ট পরিপক্ক। তিনি জানান, আরাধ্যার কাছে কোনো স্মার্টফোন নেই। তার বন্ধুদের যোগাযোগ করতে হলে মায়ের ফোনেই কল করতে হয়। এক্ষেত্রে ইন্টারনেটে প্রবেশের সুযোগ থাকলেও বাবা-মাকে নিয়ে আজেবাজে গুঞ্জন পড়ার কোনো আগ্রহ তার নেই।

এছাড়া মা হিসেবেও ঐশ্বরিয়াকে প্রশংসায় ভাসান অভিষেক। স্ত্রীর প্রশংসা করে তিনি বলেন, মা হিসেবে ঐশ্বরিয়া মেয়েকে দারুণভাবে বড় করে তুলছেন, যার ফলে বাইরের জগতের এই অস্থিরতা আরাধ্যাকে স্পর্শ করতে পারে না।

টিজে/টিএ 

মন্তব্য করুন