© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাখা যাবে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

শেয়ার করুন:
সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাখা যাবে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৩:২৬ পিএম | ০৫ এপ্রিল, ২০২৬
যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জ্বালানি সাশ্রয়ে সন্ধ্যা ৬ টার পরিবর্তে ৭টা পর্যন্ত দোকান, মার্কেট ও শপিংমল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত এসেছে সরকার। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত রোববার সচিবালয়ে বলেন, দোকান মালিক সমিতির আবেদন পুনর্বিবেচনা করে নতুন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

তিনি বলেন, “সেক্ষেত্রে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখা যাবে।” সরকারের মন্ত্রিসভায় গেল বৃহস্পতিবার সিদ্ধান্ত হয়, সকাল ৯টা থেকে ৬টা পর্যন্ত দোকান, মার্কেট ও শপিংমল খোলা থাকবে। তবে কাঁচাবাজার, ওষুধের দোকান, হোটেল-রেস্তোরাঁ ও জরুরি সেবা এ বিধিনিষেধের বাইরে থাকবে। সরকারের ওই নির্দেশে ব্যবসায়ী মহলে আপত্তি ওঠে।

তারপর শুক্রবার সকাল ৯টার বদলে বেলা ১১টা থেকে দোকানপাট খুলে রাত ৮টা পর্যন্ত চালু রাখার সুযোগ দিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ জানায় সংগঠনটি। প্রতিমন্ত্রী অমিত বলেন, “দোকান মালিক সমিতি আমাদের কাছে আবেদন করেছিল, আমরা যেন সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাখার সুযোগ দেই। যদিও কেবিনেট মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত ছিল সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত; কিন্তু পরবর্তীতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দোকান মালিক সমিতির আবেদন পুনর্মূল্যায়ন করে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।”

এ সময় তিনি নিজ বাসা বাড়ি ও কর্মস্থলে বিদ্যুৎ, জ্বালানি সাশ্রয়ে সচেতন হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। কৃষকদের ডিজেল প্রাপ্তি নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “জেলা প্রশাসনকে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে- কোনোভাবে কৃষকরা যেন বঞ্চিত না হয়-এটা নিশ্চিত করতে হবে। জেলা প্রশাসক, বিপিসি, পদ্মা, মেঘনা, যমুনা কোম্পানির এমডিকে বলা হয়েছে।”

চাহিদা অনুযায়ী বরাদ্দ নিশ্চিতে মাঠ কর্মকর্তাদের সমন্বয় করার জন্যও নির্দেশনা সরকার থেকে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী অমিত। তিনি বলেন, “কৃষি অধিদপ্তরের সঙ্গে কথা বলে জেনেছি-আগামী ১৫ এপ্রিল পযন্ত চাহিদা পিক-এ থাকবে। এরপরে চাহিদ কমতে থাকবে। অবশ্যই, সবাই মিলে কষ্ট করছি। সারা পৃথিবীতে জ্বালানি তেলে অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে…বাংলাদেশে কোনোভাবেই যেন কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেটা বিবেচনায় রেখে সরকার জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয়ের চিন্তা করেনি। ক্ষেত্রে কৃষক ডিজেল পেতে যেন কষ্ট না হয়।”

আইকে/টিএ

মন্তব্য করুন