অ্যাপের মাধ্যমে কিনতে হবে জ্বালানি: উপদেষ্টা ডা. জাহেদ
ছবি: সংগৃহীত
০১:৪৯ পিএম | ০৭ এপ্রিল, ২০২৬
জ্বালানি তেল কেনার জন্য একটি অ্যাপ তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সচিবালয়ের তথ্য অধিদফতরে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম ও সমসাময়িক নানা ইস্যুতে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
জ্বালানি খাত নিয়ে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা প্রসঙ্গে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, বিভিন্ন দেশে জ্বালানির মূল্য বাড়ালেও বাংলাদেশ সরকার এখনো বাড়ায়নি। তবে আগামী মাসে জ্বালানি মূল্য সমন্বয় করা হবে কি-না, সেটি পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে।
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সরবরাহে কিছুটা সংকট আছে। তবে এতটা সংকট নেই, যার কারণে লম্বা লাইন হচ্ছে। মূলত তেলের অবৈধ মজুত হচ্ছে এবং পাচারের চেষ্টা চলছে। এজন্য কিছুটা সংকট দেখা দিয়েছে।
তবে জ্বালানি তেল কেনার জন্য একটি অ্যাপ তৈরি হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, অ্যাপের মাধ্যমেই কিনতে হবে। এর ফলে কে কতটা তেল কিনবেন, কখন কতটা কিনলেন, সেই তথ্য সংরক্ষিত থাকবে।
বিদ্যুতের ঘাটতি না থাকলেও শহরে অনিয়ন্ত্রিতভাবে অটোরিকশা চলতে পারে না জানিয়ে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, বিপদজনক এ যানবাহনটির ফিটনেস নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে, অপরদিকে চালকরাও প্রশিক্ষিত নয়। অনেক দুর্ঘটনা ঘটছে অটোরিকশার কারণে। বিপদজনক এ যানবাহনের বিকল্প নিয়ে ভাবছে সরকার।
স্বল্পোন্নত দেশের (স্বল্পোন্নত দেশ) তালিকা থেকে উত্তরণে বাংলাদেশ এখনো প্রস্তুত নয় জানিয়ে তিনি বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতি এবং অর্থনৈতিক সংকটের কারণে এলডিসি থেকে উত্তরণে সরকারের পরিকল্পনা নেই।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে কোনো দুর্নীতি হয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হবে। দুর্নীতি দমন কমিশন পুনর্গঠন করার পরেই এ কার্যক্রম গতিশীল করা হবে।
হামের টিকা সংকট বর্তমান সরকারের নয় জানিয়ে তিনি বলেন, আগের সরকারের গাফিলতির কারণেই এ সংকট তৈরি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, হামে শিশুরা মৃত্যুবরণ করছে। এটি দুঃখজনক। ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ঘটনা না ঘটে, সেই ব্যাপারে ব্যবস্থা নেবে সরকার।
ধাপে ধাপে হবে টিকা দেওয়া হবে উল্লেখ করে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, প্রথম পর্যায়ে ৩০টি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হটস্পট এলাকায় কার্যক্রম শুরু হবে। এরপর রোগের পরিস্থিতি এবং মাঠ পর্যায়ের প্রস্তুতির ভিত্তিতে ধীরে ধীরে সারা দেশে সম্প্রসারণ করা হবে। মূল লক্ষ্য হবে ২১ মের মধ্যে অর্থাৎ আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহার য়াগে পুরো কার্যক্রম সম্পন্ন করা।
টিজে/টিকে