© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

নানক-তাপসসহ ২৮ আসামির অভিযোগ গঠন শুনানি পেছাল

শেয়ার করুন:
নানক-তাপসসহ ২৮ আসামির অভিযোগ গঠন শুনানি পেছাল

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৪:০২ পিএম | ০৮ এপ্রিল, ২০২৬
জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন সংঘটিত রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ৯ জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি পিছিয়ে আগামী ১৫ এপ্রিল দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল। এ মামলায় মোট আসামি ২৮ জন।

বুধবার (৮ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ দিন ধার্য করেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ।

এদিন এ মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন নিয়ে শুনানির দিন ধার্য ছিল আজ। কিন্তু প্রসিকিউশনের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাননি বলে জানান আসামিপক্ষের আইনজীবী সিফাত মাহমুদ শুভ। প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন শাইখ মাহদী। পরে আগামী ১৫ এপ্রিল এ বিষয়ে শুনানির দিন নির্ধারণ করেন ট্রাইব্যুনাল।

এ বিষয়ে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী আবুল হাসান বলেন, ডিফেন্সকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সরবরাহ করেনি প্রসিকিউশন। এ কারণে আজ শুনানি হয়নি। আমরা শুধুমাত্র ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগের কপিই পেয়েছি। বাকি ডকুমেন্টসও আমরা প্রসিকিউশনের কাছে চেয়েছি। আশাকরি আগামী তারিখের আগেই আমরা পাবো।

গত ১৫ মার্চ অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির জন্য আজকের দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল-১। এ মামলায় উল্লেখযোগ্য আসামির মধ্যে রয়েছেন সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের তৎকালীন মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, ডিএমপির তৎকালীন কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক অ্যাডিশনাল ডিআইজি প্রলয় কুমার জোয়ারদার ও ডিএমপির সাবেক যুগ্ম পুলিশ কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার। এছাড়া স্থানীয় কাউন্সিলর, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদেরও আসামি করা হয়েছে।

বর্তমানে গ্রেপ্তার রয়েছেন চারজন। তারা হলেন- নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মোহাম্মদপুর থানা শাখা সভাপতি নাঈমুল হাসান রাসেল, সহসভাপতি সাজ্জাদ হোসেন, ওমর ফারুক ও ফজলে রাব্বি।
চলতি বছরের ১৮ জানুয়ারি প্রসিকিউশনের দেওয়া আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়ে ২৮ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
 
এ মামলায় আনা তিনটি অভিযোগে প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৮ ও ১৯ জুলাই ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নৃশংসতা চালায় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আসামিদের উসকানি-প্ররোচনা ও প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ উপস্থিতিতে জুলাই আন্দোলনে নিরীহ ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালানো হয়। এতে মাহমুদুর রহমান সৈকত, ফারহান ফাইয়াজ, ৯ জন শহীদ হন। আহত হন আরও অনেকে।

কেএন/এসএন

মন্তব্য করুন