পরীক্ষামূলকভাবে চালু হচ্ছে ফুয়েল পাস
ছবি: সংগৃহীত
০৩:১৬ পিএম | ০৯ এপ্রিল, ২০২৬
শৃঙ্খলা আনতে রাজধানীর দুটি পেট্রোল পাম্পে পরীক্ষামূলকভাবে ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপের মাধ্যমে জ্বালানি তেল বিক্রি শুরু হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সচিবালয়ে সার্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের মুখপাত্র ও যুগ্ম সচিব (অপারেশন অনুবিভাগ) মনির হোসেন চৌধুরী এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, পরীক্ষামূলকভাবে আমরা দুটি ফিলিং স্টেশনে কাজ শুরু করেছি, একটি আসাদগেটের সোনার বাংলা, আরেকটি তেজগাঁয়ের ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশন। এরই মধ্যে প্রচুর সাড়া পাওয়া যাচ্ছে, অনেকেই রেজিস্ট্রেশন করছেন। আমার মনে হয় রেজিস্ট্রেশনকারীর সংখ্যা ১০ হাজার অতিক্রম করেছে।
যুগ্ম সচিব বলেন, তবে এই কাজটা একটু সময়সাপেক্ষ। আমরা মোটরসাইকেলে ফোকাস করে দুটি ফিলিং স্টেশনে কাজটি শুরু করেছি। আশা করি ধীরে ধীরে ঢাকা শহর পুরোটা কাভার করতে পারবো। এরপর হয়তো আমরা এটি দেশব্যাপী রেপ্লিকেট করার চেষ্টা করবো।
জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বৈশ্বিক সংঘাতের কারণে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব এখনও বিদ্যমান। যুদ্ধ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে স্বল্পমেয়াদে কিছুটা স্বস্তি আসতে পারে, তবে এর দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রভাব বিশ্বব্যাপী পড়বে।
সংসদে মন্ত্রীর জ্বালানি তেলের দাম আগামীতে বাড়তে পারে এমন ইঙ্গিত নিয়ে প্রশ্নের জবাবে যুগ্মসচিব বলেন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজ শুরু করেছে। জ্বালানি তেলের দাম আগামীতে বাড়তে পারে এমন ইঙ্গিত থাকলেও এপ্রিল মাসের শুরুতে দাম অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে কোনো পরিবর্তন হলে তা জনসাধারণকে জানানো হবে।
প্যানিক বায়িং নিয়ে সরকার আর কি উদ্যোগ নিয়েছে? এমন প্রশ্নেন জবাবে এই মুখপাত্র বলেন, প্যানিক বায়িং বা আতঙ্কে অতিরিক্ত জ্বালানি কেনার প্রবণতা নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা বৃদ্ধিকেই প্রধান উপায় হিসেবে দেখছে সরকার। বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রভাব নিয়ে মানুষের মধ্যে যে মনস্তাত্ত্বিক চাপ তৈরি হয়েছে, তা ধীরে ধীরে কেটে যাবে।
এসএন