যুদ্ধে ইরানে ১ লাখ ২৫ হাজারের বেশি বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত
ছবি: সংগৃহীত
০৫:০০ পিএম | ১০ এপ্রিল, ২০২৬
ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার প্রভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দেশজুড়ে ১ লাখ ২৫ হাজারের বেশি বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও চিকিৎসা কেন্দ্রও রয়েছে।
ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রধান পিরহোসেইন কোলিভান্দ বলেছেন, ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় সারা দেশে মোট ১,২৫,৬৩০টি বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে ইরনা সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে।
আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনার মধ্যে ২৩,৫০০টি বাণিজ্যিক কেন্দ্র ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং ৩৩৯টি চিকিৎসাকেন্দ্র রয়েছে।
এর মধ্যে হাসপাতাল, ফার্মেসি, ল্যাবরেটরি, স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং জরুরি সেবা ইউনিটও অন্তর্ভুক্ত বলে জানিয়েছেন কোলিভান্দ।
এদিকে লেবাননে চলছে ইসরায়েলের হামলা, বৈরুতের হাসপাতাল রক্ষার আহ্বান বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার।
লেবাননের সিদোন, নাবাতিয়াহসহ সমগ্র দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি বিমান হামলা অব্যাহত রয়েছে। যার মধ্যে একটি গাড়ির ওপর ড্রোন হামলাও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
আলজাজিরার তথ্য অনুযায়ী, ১০ এপ্রিল রাতভর রাজধানী বৈরুতের ওপর দিয়ে একটি ইসরায়েলি নজরদারি ড্রোন উড়তে দেখা গেছে। হামলার মাঝেই বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপশহরগুলোর বাসিন্দাদের শহর ছেড়ে নিরাপদে যেতে নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী।
এই নির্দেশে দেশটির জনা শহরও অন্তর্ভুক্ত ছিল, যেখানে ইতিমধ্যে ইসরায়েল বিমান হামলায় দেশটির বাস্তুচ্যুত হাজারো মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। এখানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা-ডব্লিউএইচও পরিচালিত বৃহৎ দুটি হাসপাতালও রয়েছে।
ডব্লিউএইচও এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, ওই হাসপাতালগুলোর কার্যক্রম পূর্ণমাত্রায় চলছে। সেখানে অন্তত ৪৫০ জন রোগী চিকিৎসাধীন আছেন, যাদের জন্য বিকল্প কোনো চিকিৎসা ব্যবস্থার সুযোগ নেই।
অবিলম্বে এই নির্দেশ প্রত্যাহারের আহ্বানও জানিয়েছে সংস্থাটি। কারণ ইসরায়েলের হামলায় আহতের সংখ্যা এত ছাড়িয়েছে যে লেবাননজুড়ে হাসপাতালগুলো এখন ধারণক্ষমতার বাইরে।
গত বুধবার ইসরায়েলি হামলায় আহত ১,০০০-এরও বেশি আহত মানুষের চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে চিকিৎসাকেন্দ্রগুলো।
একদিকে নিরবচ্ছিন্ন হামলা চলছে, অন্যদিকে নিহতের সংখ্যা গণনা ও শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
এমআর/টিকে