© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে আজ বৈঠকে বসছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান

শেয়ার করুন:
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে আজ বৈঠকে বসছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৭:৩১ এএম | ১১ এপ্রিল, ২০২৬
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আজ পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে শুরু হতে চলেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধবিরতির শান্তি আলোচনা। এ বৈঠককে কেন্দ্র করে পাকিস্তানে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই কূটনৈতিক সম্মেলনকে ঘিরে পুরো শহরজুড়ে কার্যত লকডাউন পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সম্মেলনস্থলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজধানীজুড়ে প্রায় ১০ হাজার নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। এই বিশাল বাহিনীর মধ্যে রয়েছে পাকিস্তান পুলিশ, সেনাবাহিনী এবং বিশেষ কমান্ডো ইউনিটের সদস্যরা। বিশেষ করে শহরের রেড জোন এলাকায় সাধারণের প্রবেশাধিকার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে।

নিরাপত্তা ঝুঁকি এড়াতে এবং বিদেশি প্রতিনিধিদের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে ইসলামাবাদে বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সরকারি-বেসরকারি অফিস বন্ধ রাখা হয়েছে। রাস্তায় জনসাধারণের চলাচল সীমিত করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে তল্লাশি চৌকি বসিয়ে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে।

পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী বৈঠকটি শুক্রবার অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও লজিস্টিক বা কৌশলগত কারণে তা একদিন পিছিয়ে আজ শনিবার (১১ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আজ থেকে মূল আলোচনা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ইতিমধ্যেই ইরানি পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবফের নেতৃত্বে ইসলামাবাদে পৌঁছেছে ইরানি প্রতিনিধি দল। এ প্রতিনিধি দলে আরও রয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি, সর্বোচ্চ জাতীয় প্রতিরক্ষা পরিষদের সচিব আলী-আকবর আহমাদিয়ান, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আবদোলনাসের হেম্মাতি এবং বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য।

অন্যদিকে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, ওয়াশিংটনের আঞ্চলিক দূত স্টিভ উইটকফ এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপদেষ্টা ও জামাতা জ্যারেড কুশনারও ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন।

এছাড়া বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি ও পর্যবেক্ষকরা ইসলামাবাদে পৌঁছাতে শুরু করেছেন। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কয়েক মাসের নিবিড় কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পর ওয়াশিংটন ও তেহরানকে আলোচনার টেবিলে আনা সম্ভব হয়েছে। এই বৈঠক থেকে মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা রক্ষায় কোনো ইতিবাচক ঘোষণা আসবে বলে আশা করছে আন্তর্জাতিক মহল।

সূত্র: বিবিসি/ডন

কেএন/টিএ

মন্তব্য করুন