পার্বত্য উৎসব উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা, সম্প্রীতি ও ঐক্যের আহ্বান
ছবি: সংগৃহীত
০২:০৪ এএম | ১২ এপ্রিল, ২০২৬
পাহাড়ের উৎসব বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, চাংক্রান, বিষু ও চাংলান উপলক্ষ্যে পার্বত্য এলাকায় বসবাসরত বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠীর জনসাধারণের প্রত্যেককে শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (১১ এপ্রিল) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ শুভেচ্ছা জানান।
এতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বিভিন্ন সম্প্রদায় অথবা পাহাড় কিংবা সমতলে বসবাসকারী সকলে-বর্ণ নির্বিশেষে বিভিন্ন নৃগোষ্ঠী ও সম্প্রদায় এবং পাহাড় ও সমতলে বসবাসকারী সকলের ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব আমাদের জাতীয় উৎসবেরই অংশ। পাশাপাশি এসব উৎসব জাতীয় জীবনে শান্তি ও আনন্দ বয়ে নিয়ে আসবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও বলেন, পাহাড়ি অঞ্চলের বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠীর ঐতিহ্য, কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ইতিহাস বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাস ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ, যা আমাদের ঐতিহ্যকে গৌরবময়, প্রাচুর্যময় ও সৌন্দর্যমণ্ডিত করেছে। মানুষে-মানুষে সম্প্রীতি ও মিলনের অমিয় বাণী মিশে আছে আমাদের লোকজ ঐতিহ্যে। ে
বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সারা বিশ্বে দেশের মর্যাদায় এক উজ্জ্বলতর ভিন্নমাত্রা যোগ করেছে। আমাদের দেশের বিভিন্ন ছোট ছোট জাতিগোষ্ঠীর সম্প্রদায়সহ সকল নাগরিকের সমান অগ্রগতি, বিকাশ, নিরাপত্তা ও সংবিধানে বর্ণিত মৌলিক অধিকারের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। পাহাড়ে কিংবা সমতলে বসবাসকারী, একজন বাংলাদেশি হিসেবে আমাদের প্রত্যেকের সমান অধিকার।
বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠীর প্রধান সামাজিক উৎসব এবং বাংলা নববর্ষ সকলের জীবনে অনাবিল সুখ ও শান্তি বয়ে আনবে বলেও শুভেচ্ছা বাণীতে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
ইউটি/টিএ