আইন, গুম কমিশনসহ ৭টি অধ্যাদেশ অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা প্রয়োজন: আইনমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত
০৭:১৫ পিএম | ১২ এপ্রিল, ২০২৬
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, মানবাধিকার কমিশন আইন, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় আইন, বিচারক নিয়োগ আইন এবং গুম কমিশনসহ মোট সাতটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা প্রয়োজন। এসব বিষয় অধিকতর যাচাই-বাছাই করে কার্যকর আইন প্রণয়ন করা হবে বলেও তিনি জানান।
রোববার (১২ এপ্রিল) সচিবালয়ে এক ব্রিফে সরকারের সংসদে ৯১টি বিল পাসসহ বিভিন্ন আইন ও অধ্যাদেশ নিয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরে তিনি এসব কথা বলেন।
গুম কমিশন অধ্যাদেশ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, এতে কিছু ফাঁকফোকর ছিল, যার কারণে গুমের সংজ্ঞা বা ঘটনা চিহ্নিত করতে দীর্ঘ সময় লাগতে পারতো। এতে আরও মানুষ গুমের শিকার হয়ে যাবে। তাই এসব সংশোধন করে গুম কমিশন নিয়ে নতুন আইন প্রণয়ন করা হবে।
মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, তদন্ত, জরিমানাসহ বিভিন্ন ধারায় কিছু দ্বন্দ্ব রয়েছে। এগুলো পর্যালোচনা করে একটি কার্যকর আইন তৈরি করা হবে। আগামী ১৫ মে’র পর এ বিষয়ে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।
তিনি আরও বলেন, আমাদের এখানে কোনো অসচ্ছতা নেই। যারা বলছেন আমরা এটা করিনাই বা কিছু বিষয় বাদ দেওয়া হয়েছে, তারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। এসব অধ্যাদেশ বাতিল হয়েছে তা সঠিক নয়।
আইনমন্ত্রী জানান, সংসদে জবাব দিতে গিয়ে বলেছিলেন, বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা সব নথি পড়েছেন, কিন্তু সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা সংক্রান্ত অংশটি বাদ দিয়েছেন। অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে এসব অধ্যাদেশকে নতুন করে কার্যকর আইনে রূপ দেওয়া হবে হবেও জানান তিনি।
এমআর/টিকে