কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত
০২:২৩ পিএম | ১৪ এপ্রিল, ২০২৬
কৃষিনির্ভর এলাকায় কৃষির সঙ্গে সম্পর্কিত কলকারখানা গড়ার উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
কৃষকদের বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পহেলা বৈশাখ এখন সামাজিক অনুষ্ঠানে রূপ নিলেও এটি মূলত কৃষকদের সঙ্গে সম্পর্কিত। সেজন্য আজ এই কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করেছি।
তারেক রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে ২২ হাজার কৃষক পাচ্ছেন এ কার্ড। পাঁচ বছরে পর্যায়ক্রমে ২ কোটি ৭৫ লাখ চাষি কৃষক কার্ড পাবেন। নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতির মধ্যে এটি অন্যতম। এ ছাড়া, কৃষি ঋণ ১০ হাজার পর্যন্ত মওকুফ করেছি প্রথম সপ্তাহে। ১২ লাখ কৃষক এই সুবিধা পেয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষিনির্ভর এলাকায় কৃষির সঙ্গে সম্পর্কিত কলকারখানা গড়ার উদ্যোগ নেয়া হবে, যাতে কৃষকরা আরও দাম পেতে পারেন। কৃষিপণ্যের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে গতকাল বসেছি। বিভিন্ন দেশ এবং দেশীয় ব্যবসায়ীরা কোল্ডস্টরেজ তৈরিতে আগ্রহী। এ বিষয়ে সরকার উদ্যোগী।
‘বিএনপি যতবার দেশ পরিচালনা করেছে, চেষ্টা করেছে কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর। আপনাদের এই আস্থার মূল্য দেবে বিএনপি সরকার’, যোগ করেন তারেক রহমান। সবাইকে দেশ গঠনের আমন্ত্রণ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন দেশ পুনর্গঠনের সময়। এই সরকার জনগণের সরকার। লক্ষ্য দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন, দেশের উন্নয়ন। সবাই নিজের দেশকে ভালো দেখতে চায়। আমরা সেই লক্ষ্য অর্জন করতে চাই। এর জন্য জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন।
কৃষককে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলা বিএনপির লক্ষ্য জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের ৪০ শতাংশ মানুষ কৃষির সঙ্গে জড়িত। বাকিরা কোনো না কোনোভাবে কৃষির সঙ্গে সম্পর্কিত। প্রধান পেশা কৃষি। বিএনপি সরকার বিশ্বাস করে, কৃষক ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে। তাই বিএনপি সরকারের অঙ্গীকার ১০টি সুবিধা সংবলিত কৃষি কার্ড পৌঁছে দেয়া হচ্ছে।
‘সারা দেশে খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা হবে কৃষক ও কৃষির সুবিধার্থে। ভূগর্ভস্থ পানির দিকে নজর দিতে হবে। কারণে এটি কমতে শুরু করেছে। তাই যেনো সেটাকে বাঁচানো যায়, এর উদ্যোগ নেবে সরকার’, যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।
কৃষিপণ্য উৎপাদনই শুধু নয়, দেশীয় পণ্য রফতানির ওপর জোর দেয়ার তাগিদ দিয়ে তারেক রহমান বলেন, ১৯৯১ সালে খালেদা জিয়া ৫ হাজার পর্যন্ত ঋণ মওকুফ করেছেন, খাজনা মওকুফ করেছেন। জিয়াউর রহমান খাল খনন শুরু করার ১ বছরে কৃষিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছিল দেশ। বিদেশে রফতানি শুরু হয়েছিল।
এবি/টিএ