© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

২০২৭ সালের মধ্যে পুরো রাখাইন দখলের পরিকল্পনা আরাকান আর্মির

শেয়ার করুন:
২০২৭ সালের মধ্যে পুরো রাখাইন দখলের পরিকল্পনা আরাকান আর্মির

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৩:১৭ পিএম | ১৪ এপ্রিল, ২০২৬
আরাকান আর্মি (এএ) ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ রাখাইন রাজ্যে ‘চূড়ান্ত বিজয়’ অর্জন করবে বলে সম্প্রতি সংগঠনটির ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জানিয়েছেন সংগঠনটির সর্বাধিনায়ক মেজর জেনারেল ত্বান ম্রাত নাইং।

প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৩ সালের শেষ দিক থেকে রাখাইন রাজ্যে ১৪টি টাউনশিপ এবং দক্ষিণ চিন রাজ্যের পালেতওয়া টাউনশিপ দখল করেছে আরাকান আর্মি। বর্তমানে রাখাইনের মাত্র তিনটি টাউনশিপ রাজধানী সিত্তে, কিয়াউকফিউ এবং মানাউং জান্তা সরকারের নিয়ন্ত্রণে আছে।
 
ত্বান ম্রাত নাইং বলেন, আমরা যা করা প্রয়োজন তা পূর্ণ আত্মবিশ্বাস নিয়ে চালিয়ে যাব। আরাকান আর্মি তার মিত্রদের সঙ্গে মিলে অভিন্ন শত্রু, মিয়ানমারের দমনমূলক সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবে।
 
২০২৩ সালের ১৩ নভেম্বর রাখাইন রাজ্যে সামরিক অভিযান শুরু করে আরাকান আর্মি, যা শুরু হয় শান রাজ্যে ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের ‘অপারেশন ১০২৭’ শুরুর কয়েক সপ্তাহ পর। আরাকান আর্মিও এই জোটের সদস্য।
 
এরপর থেকে তারা শুধু সামরিক ক্ষেত্রেই নয়, প্রশাসনিক ক্ষেত্রেও অগ্রগতি অর্জন করে। নিজেদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় আদালত, স্কুল এবং স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাসহ একটি প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তুলেছে আরাকান আর্মি। তবে জান্তা বাহিনীর অব্যাহত বিমান ও নৌ হামলার কারণে অনেক এলাকায় বেসামরিক মানুষ এখনও বাস্তুচ্যুত হচ্ছেন। 
 
ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের অপর দুই সদস্য ‘মিয়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স আর্মি’ এবং ‘তা’আং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আরাকান আর্মিকে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়েছে।
 
এছাড়া ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট (এনইউজি), কমিটি রিপ্রেজেন্টিং প্যিদাউংসু হ্লুত্তাও (সিআরপিএইচ) এবং চিন ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স, বামার পিপলস লিবারেশন আর্মি ও স্টুডেন্ট আর্মড ফোর্সসহ ৪০টিরও বেশি সশস্ত্র প্রতিরোধ গোষ্ঠী আরাকান আর্মিকে তাদের গত ১৭ বছরের ক্রমবর্ধমান শক্তির জন্য অভিনন্দন জানিয়েছে।
 
তাদের বার্তায় বলা হয়, রাখাইনের জনগণ ও আরাকান আর্মিন অর্জন অবিচল দৃঢ়তা, ত্যাগ এবং ঐক্যের ফল, যা মিয়ানমারের অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর জন্য উদাহরণ হিসেবে কাজ করছে। আরাকান আর্মি ২০০৯ সালের ১০ এপ্রিল মিয়ানমার-চীন সীমান্তের লাইজায় প্রতিষ্ঠিত হয়, যা কাচিন ইন্ডিপেনডেন্স আর্মির সদর দফতর। জানা যায়, মাত্র ২৬ জন সদস্য এবং একটি অস্ত্র নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল সংগঠনটি।
 
সূত্র: মিয়ানমার নাও
এসএস/টিএ

মন্তব্য করুন