ওয়ানডেতে মুশফিককে দলে চান মিরাজ, কী বলছেন সিমন্স?
ছবি: সংগৃহীত
১০:২৬ পিএম | ১৫ এপ্রিল, ২০২৬
২০২৫ সালের ৫ মার্চ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওয়ানডে ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দেন বাংলাদেশ দলের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম। আপাতত টেস্ট ক্রিকেটটাই খেলছেন। প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে শততম টেস্ট খেলার মাইলফলক অর্জন করেছেন। সম্প্রতি মুশফিককে ওয়ানডে দলে চাওয়ার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। এবার বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন টাইগারদের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স।
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলার পর ১৯ বছরের দীর্ঘ ক্যারিয়ারের ইতি টানেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। টাইগারদের সাবেক অধিনায়ক ২৭৪ ওয়ানডেতে ৯টি শতক ও ৪৯টি অর্ধশতকসহ ৭,৭৯৫ রান করেছেন। তবে ওয়ানডেতে শেষদিকে চেনা ছন্দে ছিলেন না মুশফিক। সবশেষ ১০ ইনিংসে মাত্র এক ফিফটিতে করেন ২১৮ রান। চারবার তিনি দুই অংকের ঘরে যেতে পারেননি। তবে ৫০ ওভারের ক্রিকেটে মিডল অর্ডারে ধারবাহিকভাবে কেউ রান না পাওয়ায় আবারো অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার হয়ে উঠছেন প্রাসঙ্গিক।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ সামনে রেখে বুধবার মিরপুর-শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে আসেন ফিল সিমন্স। মিরাজের আকাঙ্ক্ষার বিষয়টি টেনে তার কাছে জানতে চাওয়া হয়।

সিমন্স বলেন, ‘প্রথমত আমি ওই বিবৃতিটি দেখিনি। আমরা আমাদের সামনে থাকা খেলোয়াড়দের নিয়ে ভাবি। মুশফিকুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সে টেস্ট ক্রিকেটে মনোযোগ দেবে। আবারও অভিনন্দন, সে শততম টেস্টের মাইলফলক পার করেছে, বিশ্বে খুব বেশি মানুষ এটি করতে পারেনি। সামনে কী হয় আমরা দেখবো।’
ঘরোয়া ক্রিকেটে টপঅর্ডারে ব্যাট অনেক ক্রিকেটারই জাতীয় দলে মিডল অর্ডার কিংবা লোয়ার অর্ডারে ব্যাটিং করতে দেখা যায়। বিষয়টি নিয়ে সিমন্স বলেছেন, ‘আমাদের প্রায় সব ব্যাটসম্যানই ঘরোয়া ক্রিকেটে টপ অর্ডারে ব্যাটিং করে। কিন্তু যখন তারা এখানে আসে, তাদের বিভিন্ন পজিশনে মানিয়ে নিতে হয়। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বড় বিষয় হলো পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নেয়া, ঘরোয়া ক্রিকেটে কী করেছেন তা নয়।’
ব্যাটিংয়ে উন্নতির কথা জানিয়ে সিমন্স বলেন, ‘আমাদের খেলার প্রতিটি ক্ষেত্রে উন্নতির জায়গা আছে, বিশেষ করে ব্যাটিংয়ে। টপ অর্ডার থেকে শুরু করে ৫, ৬, ৭ এবং ৮ নম্বর পর্যন্ত উন্নতির অনেক সুযোগ আছে এবং আমরা ক্রমাগত উন্নতির চেষ্টা করছি। শেষ ১০ ওভারে আমরা ভালো করছি, যেমনটা পাকিস্তানের বিপক্ষে শেষ ম্যাচে আমরা ৮০ রান তুলেছিলাম।’
এসকে/টিএ