© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

মুরগির রক্ত শরীরে লাগিয়ে বিএনপির ওপর হামলার অভিযোগ পরাজিত প্রার্থীর

শেয়ার করুন:
মুরগির রক্ত শরীরে লাগিয়ে বিএনপির ওপর হামলার অভিযোগ পরাজিত প্রার্থীর

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১১:০৩ পিএম | ১৫ এপ্রিল, ২০২৬
এমপি মুহাম্মদুল্লাহর লোকজন মুরগি জবাই করে রক্ত নিজের শরীরে লাগিয়ে বিএনপির ওপর হামলার অভিযোগ তুলেছেন বলে মন্তব্য করেছেন ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর-তারাকান্দা) আসনে বিএনপির পরাজিত প্রার্থী মোতাহার হোসেন তালুকদার।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) বিকেলে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

মোতাহার হোসেন তালুকদার বলেন, ‘নববর্ষ উপলক্ষে তারাকান্দা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদে মিলনায়তনে অনুষ্ঠান যোগ দিতে যান সংসদ সদস্য মুহাম্মদুল্লাহ।

আমিও দাওয়াত পেয়ে গিয়েছিলাম। অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশের সময় মুহাম্মদুল্লাহর সঙ্গে আসা নেতাকর্মীদের যে কারও সঙ্গে মেয়ের শরীরে ধাক্কা লাগে। এটি ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত ভুল হতে পারে। কিন্তু এ নিয়ে বাগবিতণ্ডা ও উত্তেজনাকর পরিবেশ সৃষ্টি হলে আমি নিজে মুহাম্মদুল্লাহকে অনুষ্ঠানস্থলে নিয়ে যাই। তবুও মুহাম্মদুল্লাহ অহেতুক আমার ও আমার বলয়ে বিএনপির রাজনীতি করা নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলছেন।’

তিনি বলেন, ‘শুনেছি- এমপি মুহাম্মদুল্লাহ বলেছেন, ফুলপুর-তারাকান্দার উন্নয়নে মিলেমিশে একসঙ্গে কাজ করতে চান। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থেকেই আমি এলাকার উন্নয়নে কাজ করছি। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার উন্নয়নে ৩৬ কোটি টাকা নিয়ে আসা হয়। এসব টাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের জন্য এখন টেন্ডার হচ্ছে।’

এর আগে দুপুরে হেনস্তা ও কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদ এবং উন্নয়নকাজে বিএনপি নেতার বাধার অভিযোগ এনে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করেন সংসদ সদস্য মুফতি মুহাম্মদুল্লাহ।

এসময় তিনি অভিযোগ করে বলেন, তার নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করাসহ পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানে তাকে অংশ নিতে বাধা দেন বিএনপির পরাজিত প্রার্থী মোতাহার হোসেনের নেতাকর্মীরা। তার পক্ষের কয়েকজন কর্মী-সমর্থকদের মারধর করে আহত করা হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদে বিকেলে ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করলে আবারও হামলা চালিয়ে এক সমর্থককে রক্তাক্ত করা হয়।

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মোতাহার হোসেন তালুকদার উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কাজে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন। সরকারি কর্মকর্তাদেরও বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছেন। এতে স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। তিনি কেন এমপি হতে পারলেন না—এমন প্রতিহিংসা থেকেই মূলত এ হামলা ও প্রতিনিয়ত কাজে বাধা দেওয়া হচ্ছে।’

এসকে/টিএ

মন্তব্য করুন