সাক্ষীকে ‘জোরজবরদস্তি’ না করার অনুরোধ পলকের
ছবি: সংগৃহীত
০৪:৪৮ পিএম | ১৬ এপ্রিল, ২০২৬
স্বাক্ষীকে জোরজবরদস্তি না করতে অনুরোধ জানিয়েছেন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার আসামি সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চে তিনি এ অনুরোধ জানান।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ইন্টারনেট বন্ধ করে হত্যাযজ্ঞের দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাপুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় ও পলকের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ছিল আজ। এদিন চার নম্বর সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) এক কর্মকর্তা।
জবানবন্দির একপর্যায়ে আপত্তি জানান পলকের আইনজীবী লিটন আহমেদ। এ সময় কাঠগড়ায় চেয়ারে বসে থাকা পলকও দাঁড়িয়ে যান। একইসঙ্গে ট্রাইব্যুনালের কাছে কিছু বলার অনুমতি চান তিনি।
পলক বলেন, ‘মাননীয় আদালত, আমি কিছু বলার অনুমতি চাই। এখানে বেশ গুছিয়ে সাক্ষ্য দিচ্ছেন সাক্ষী। তিনি ইন্টারনেট সংক্রান্ত কিছু টার্মও ব্যবহার করছেন। কিন্তু তার কাছে জোর করে ও কৌশলে কিছু কিছু শব্দ জানার চেষ্টা করছেন চিফ প্রসিকিউটর। তাই সাক্ষীকে স্বাধীনভাবে জবানবন্দি দেওয়ার বিনীত অনুরোধ করছি। যেন জোরজবরদস্তি না করা হয়।’
এ পর্যায়ে ট্রাইব্যুনাল বলেন, ‘আপনার ব্যাপারে কথা বলার জন্য বিজ্ঞ আইনজীবী রয়েছেন। তাদের ওপর আস্থা রাখেন।’
এ মামলায় দুই আসামির মধ্যে গ্রেপ্তার রয়েছেন পলক। তাকে আজ সকালে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
গত ১২ এপ্রিল তিন নম্বর সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি ইমদাদুল হক মোল্লা। কার নির্দেশে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ হয়েছে, তা উল্লেখ করেছিলেন তিনি। গত ৪ মার্চ প্রথম সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেন মামলার বিশেষ তদন্ত কর্মকর্তা ও প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহা।
ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, মঈনুল করিম, সুলতান মাহমুদসহ অন্যরা।
এমআই/এসএন