© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ক্রীড়া কার্ডকে ‘আমিনুল কার্ড’ বললেন জামাল ভূঁইয়া

শেয়ার করুন:
ক্রীড়া কার্ডকে ‘আমিনুল কার্ড’ বললেন জামাল ভূঁইয়া

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৩:৪৯ পিএম | ২০ এপ্রিল, ২০২৬
গতকাল দ্বিতীয় ধাপে ক্রীড়া ভাতা কার্ড বিতরণ হয়েছে। বাংলাদেশ পুরুষ ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া গতকাল কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে থাকতে পারেননি। আজ সকালে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের বাসায় জামাল তার ক্রীড়া কার্ড গ্রহণ করেছেন।

২০১৩ সাল থেকে বাংলাদেশ ফুটবল দলে খেলছেন জামাল ভূঁইয়া। এক যুগের বেশি সময় বাংলাদেশের জার্সিতে খেলছেন। কখনো ফুটবলাররা সরকারের পক্ষ থেকে মাসিক আর্থিক সুবিধার আওতায় আসেননি।

ক্রীড়া ভাতা কার্ড পেয়ে বাংলাদেশ ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল তাই এটিকে আমিনুল কার্ড হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, ‘এটি ক্রীড়া কার্ড সবাই বলছে। আমি বলব এটা আমিনুল কার্ড, কারণ আগে কখনো কেউ খেলোয়াড়দের জন্য এভাবে ভাবেনি ও করেনি, আমিনুল ভেবেছে ও সকল খেলোয়াড়দের জন্য করেছে।’

২২ এপ্রিল থেকে চীনের সানিয়াতে এশিয়ান বীচ গেমসের উদ্বোধন। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক আজ চীনের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। চীন যাত্রার আগে সকালে নিজ বাসভবনে জামাল ভূঁইয়ার হাতে ক্রীড়া কার্ড তুলে দেন। অধিনায়ক হিসেবে জামালের গতকাল দলের সঙ্গে থাকা উচিত ছিল। দলের সঙ্গে না থেকে আজ একা গিয়ে মন্ত্রীর বাসায় গিয়ে কার্ড গ্রহণ করেছেন।

এটি ক্রীড়া কার্ড সবাই বলছে। আমি বলব এটা আমিনুল কার্ড, কারণ আগে কখনো কেউ খেলোয়াড়দের জন্য এভাবে ভাবেনি ও করেনি, আমিনুল ভেবেছে ও সকল খেলোয়াড়দের জন্য করেছে।



যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বাংলাদেশের ফুটবলে জামালের অবদান নিয়ে বলেন, ‘বাংলাদেশের ফুটবল দলে এখন বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে খেলার আগ্রহ প্রকাশ করছে এবং খেলছেও। এটা প্রথম শুরু করেছিলেন জামাল। তাকে দেখে অনেকে এসেছে।’

বাংলাদেশের পুরুষ ফুটবলে বড় সাফল্য ২০০৩ সালের সাফ শিরোপা। ক্রীড়ামন্ত্রী আমিনুল সেই দলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। এই বছর ঢাকায় আবার সাফ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ নিয়ে তিনি বলেন,‘সেপ্টেম্বরে সাফ আয়োজনে সরকারের সহযোগিতা থাকবে। ২০০৩ সালের পর আবার বাংলাদেশের শিরোপা উল্লাস দেখার প্রত্যাশা করছি।’

বাংলাদেশ দল মাঠের পারফরম্যান্সের চেয়ে বেশি আলোচনায় ছিল কোচ নিয়ে। স্প্যানিশ কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরার মেয়াদ শেষ। বাফুফে নতুন কোচ খুঁজছে। ভালো মানের কোচের জন্য অর্থ প্রয়োজন। এ নিয়ে ক্রীড়ামন্ত্রী বলেন, ‘আমার সঙ্গে বাফুফে সভাপতির কথা হয়েছে। আমাদের সীমাবদ্ধতার মধ্যে ভালো একজন উঁচু মানের কোচ নিতে পারি। যার মাধ্যমে আমাদের জামাল ভূঁইয়া, হামজারা আরও ভালো খেলতে পারে।’

জামালের সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল দলের টিম অ্যাটেনডেন্ট মোঃ মহসিন। আমিনুল হক যখন ফুটবলার ছিলেন তখনও টিম অ্যাটেনডেন্ট ছিলেন মহসিন। বাংলাদেশের ফুটবলের অবিচ্ছেদ্য অংশ মহসিনের মতো ক্রীড়াঙ্গনের আরও অনেকের জন্যও কিছু করার ইচ্ছা রয়েছে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের। 

আইকে/টিএ

মন্তব্য করুন