বহুল আলোচিত ট্রাম্পের সেই ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা অনুমোদন শুরু
ছবি: সংগৃহীত
০৪:০৪ এএম | ২৫ এপ্রিল, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত বহুল আলোচিত ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা কর্মসূচি চালুর পর এখন পর্যন্ত মাত্র একজন আবেদনকারী অনুমোদন পেয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) এক মার্কিন হাউস কমিটিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিক। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, হাওয়ার্ড লুটনিক জানিয়েছেন—এই ভিসার জন্য আবেদনকারীদের অত্যন্ত কঠোর যাচাই-বাছাই বা ‘ভেটিং’ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়।
বর্তমানে আরও শত শত আবেদনকারী এই প্রক্রিয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। তবে অনুমোদিত সেই একমাত্র আবেদনকারীর পরিচয় বা তিনি কোন দেশের নাগরিক, তা এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
ট্রাম্প প্রশাসন এই কর্মসূচিকে ‘গ্রিন কার্ড অন স্টেরয়েডস’ হিসেবে অভিহিত করেছে। কারণ এটি সাধারণ গ্রিন কার্ড প্রক্রিয়ার তুলনায় অনেক বেশি দ্রুত ও শক্তিশালী। সাধারণ গ্রিন কার্ড পেতে যেখানে বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হয়, সেখানে এটি কয়েক মাসের মধ্যে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ করে দেয়।
যেখানে প্রচলিত পদ্ধতিতে ৫ থেকে ১০ বছর বা তারও বেশি সময় লাগতে পারে, এই কার্ডের মাধ্যমে মাত্র ৯০ থেকে ১২০ দিনের মধ্যে অনুমোদন পাওয়া সম্ভব। এর ফলে ধনী বিদেশিদের জন্য দ্রুত নাগরিকত্বের পথ তৈরি হয়।
এছাড়াও ‘অন স্টেরয়েডস’ বলার আরেকটি কারণ হলো এর বিশাল অংকের ফি। ১০ লাখ ডলারের এই অনুদান সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ কমাতে ব্যবহৃত হয়। গত বছরের সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই গোল্ড কার্ড ভিসা চালুর নির্দেশ দেন এবং ডিসেম্বর থেকে এর আবেদন গ্রহণ শুরু হয়। এই প্রোগ্রামের আওতায় আবেদনকারীদের দ্রুত প্রসেসিংয়ের জন্য ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটিকে ১৫ হাজার ডলার ফি প্রদান করতে হয়।
গত ডিসেম্বরে মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী লুটনিক রয়টার্সকে বলেছিলেন, প্রাক-নিবন্ধন চলাকালীন প্রায় ১০ হাজার মানুষ গোল্ড কার্ডের জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছিলেন এবং তিনি আরও অনেকের কাছ থেকেই সাড়া পাওয়ার আশা করছেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, ‘আমি আশা করি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমরা হাজার হাজার কার্ড বিক্রি করতে পারব এবং এতে করে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় করা সম্ভব হবে।’
আইকে/টিএ