© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

আইন পাসই যথেষ্ট নয়, দ্রুত বিধিমালা জারি করতে হবে : মার্কিন রাষ্ট্রদূত

শেয়ার করুন:
আইন পাসই যথেষ্ট নয়, দ্রুত বিধিমালা জারি করতে হবে : মার্কিন রাষ্ট্রদূত

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৬:২০ পিএম | ২৯ এপ্রিল, ২০২৬

আইন পাস করাই যথেষ্ট নয়, এর বাস্তব প্রয়োগ নিশ্চিত করতে দ্রুত প্রয়োজনীয় বিধিমালা জারি করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন।


বুধবার (২৯ জুলাই) সকালে সচিবালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন।


ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘শ্রম আইন কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পর্ক আরো শক্তিশালী হবে।’ বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়, বিশেষ করে শ্রম অধিকার, কর্মপরিবেশ এবং বাণিজ্য সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ শ্রম আইন (সংশোধন) ২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস হওয়ায় সরকারকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত ১১ দফা এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) বিভিন্ন কনভেনশনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সংশোধিত আইনে অন্তর্ভুক্ত হওয়া ইতিবাচক পদক্ষেপ। তবে আইনের সুফল পেতে হলে দ্রুত বিধিমালা প্রণয়ন ও মাঠ পর্যায়ে কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘শ্রম অধিকার সুরক্ষা, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং আধুনিক শ্রমব্যবস্থা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে আস্থা তৈরির অন্যতম শর্ত। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ যত এগোবে, ততই বিদেশি বিনিয়োগ ও রপ্তানি বাণিজ্যের সুযোগ বাড়বে।’

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘শ্রম খাতের উন্নয়ন এবং শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। সংশোধিত শ্রম আইন দ্রুত কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় বিধিমালা জারি করা হবে।’ মন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বাংলাদেশের শ্রম খাত উন্নয়নে দীর্ঘদিনের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান।

তিনি বলেন, ‘নিরাপদ, শোভন ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন কর্মপরিবেশ গড়ে তুলতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে কাজ করার অনেক সুযোগ রয়েছে।’ এ সময় তিনি শ্রমিকদের সচেতনতা বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিতে যুক্তরাষ্ট্রের কারিগরি সহায়তা কামনা করেন।

রাষ্ট্রদূত ট্রেড ইউনিয়ন নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজীকরণ ও আধুনিকায়ন এবং শ্রমিকদের বেতন প্রতি তিন বছর অন্তর সমন্বয়ের উদ্যোগকে স্বাগত জানান। এসব পদক্ষেপ শ্রম খাতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।’

বৈঠকে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুর রহমান তরফদার, যুগ্ম সচিব আবদুছ সামাদ আল আজাদ, মার্কিন দূতাবাসের কাউন্সিলর এরিক গিলান এবং শ্রম অ্যাটাশে লীনা খান উপস্থিত ছিলেন।

আইকে/টিএ

মন্তব্য করুন