সংসদে শালীনতা ও প্রমাণভিত্তিক আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ : মাসুদ কামাল
ছবি: সংগৃহীত
০৯:৪১ এএম | ০১ মে, ২০২৬
সংসদে শালীনতা বজায় না রেখে ও প্রমাণভিত্তিক কোনো আলোচনা না হলে গণতান্ত্রিক চর্চার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে মন্তব্য করেছেন সিনিয়র সাংবাদিক মাসুদ কামাল। তিনি বলেছেন, সংসদের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বক্তব্য প্রদানের ক্ষেত্রে শালীনতা ও প্রমাণভিত্তিক আলোচনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায় তা রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও গণতান্ত্রিক চর্চার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
সম্প্রতি ‘কথা’ নামক ইউটিউব চ্যানেলে এসব বলেন তিনি। সাংবাদিক মাসুদ কামাল বলেন, জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের চিফ এবং এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম রাষ্ট্রপতি মো. শাহাবুদ্দিনকে নিয়ে কঠোর সমালোচনা ও উষ্মা প্রকাশ করেছেন, যা রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
‘সংসদের চলতি অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার সময় নাহিদ ইসলাম বক্তব্য রাখেন। তবে তিনি নিজেই স্বীকার করেন; রাষ্ট্রপতির ভাষণ তিনি শোনেননি এবং এ বিষয়ে তার বিশেষ আগ্রহও নেই। এরপরও তিনি আলোচনায় অংশ নিয়ে রাষ্ট্রপতির বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং অতীতের কিছু অভিযোগ সামনে আনেন।’
তার বক্তব্যে রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে দুর্নীতি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অভিযোগ উত্থাপন করা হয়, যদিও এসব অভিযোগের পক্ষে নির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। তিনি রাষ্ট্রপতির অতীত ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করে তাকে অপসারণের কথাও ইঙ্গিত করেন।
সাংবাদিক মাসুদ কামাল বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি একটি সাংবিধানিক পদ এবং তাকে অপসারণের জন্য সংবিধানে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া রয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে অভিশংসন আনতে হলে সংসদের নির্দিষ্ট সংখ্যক সদস্যের সমর্থন ও প্রমাণসহ প্রস্তাব উত্থাপন করতে হয় এবং তা দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে পাস হতে হয়। এছাড়া, রাষ্ট্রপতির ভাষণ সাধারণত সরকারের পক্ষ থেকেই প্রস্তুত করা হয় এবং এটি একটি সাংবিধানিক আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে বিবেচিত।’
আরআই/এসএন